April 6, 2026, 2:49 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
‘দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটির অহমিকায় জাতিকে ফ্যাসিবাদের দিকে নিচ্ছে সরকারি দল’ সমালোচকরা এখন বুঝতে পারছেন, আমাদের প্রণীত আইনগুলো ভালো ছিল: আসিফ নজরুল প্রকাশ: প্রাথমিকে সশরীরেই চলবে পাঠদান: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গোপালগঞ্জে পুকুরের পানির নিচে মিলল এক ব্যারেল ডিজেল রওশন আরা বেগম: এক অনন্য ব্যক্তিত্বের জীবনপথ কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ট্রাম্পের ইরান হুমকিকে ‘মানসিকভাবে অস্বাভাবিক’ বললেন ডেমোক্র্যাট নেতা যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীনকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য হরমুজ প্রণালী আর আগের অবস্থায় ফিরবে না: ইরান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি আটকিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভ

ইরান যুদ্ধে নতুন করে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name
  • Update Time : Friday, March 20, 2026
  • 25 Time View

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ যখন তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের অভিযান আরও শক্তিশালী করতে সেখানে হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং সামরিক পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত তিন ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই মোতায়েন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুদ্ধের পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য অতিরিক্ত বিকল্প পথ খুলে দেবে। তবে এটি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন এক বিদেশি যুদ্ধে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে ফেলবে, যা না করার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্প বারবার দিয়ে আসছিলেন।

বর্তমানে মার্কিন সামরিক পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। মূলত বিমান ও নৌবাহিনীর সহায়তায় এই মিশন পরিচালনার কথা থাকলেও, সূত্রের খবর এই পথ সুরক্ষিত করতে প্রয়োজনে ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা নামানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

এছাড়া ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশের মূল কেন্দ্র ‘খারগ দ্বীপ’ নিয়ন্ত্রণে নিতে সেখানে স্থলবাহিনী পাঠানোর বিষয়েও আলোচনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে একজন কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন যে এই ধরনের অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, কারণ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ওই দ্বীপে আঘাত হানার সক্ষমতা রাখে। উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৪ মার্চ) এই দ্বীপে মার্কিন হামলা হলেও ইরান দাবি করেছে যে তাদের তেল রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে।

সেনা মোতায়েনের এই আলোচনার মধ্যে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ সুরক্ষিত করার বিষয়টিও উঠে এসেছে। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এই কাজ অত্যন্ত জটিল ও বিশেষ বাহিনীর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার হাতে সব ধরনের বিকল্প খোলা রেখেছেন। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করা, তাদের নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করা এবং ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করার কথা জানানো হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের হিসাব অনুযায়ী ইরানজুড়ে প্রায় ৭,৮০০টি হামলা চালানো হয়েছে এবং ইরানের ১২০টিরও বেশি জাহাজ ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

তবে এই যুদ্ধে সরাসরি স্থলবাহিনী ব্যবহার করা ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে বড় ঝুঁকি হতে পারে, কারণ মার্কিন জনমতের একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যের নতুন কোনো দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার বিপক্ষে।

সূত্র: আলজাজিরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com