চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দল। বুধবার বেলা ১১টায় নগরীর দেওয়ানবাজার এলাকায় দলটির কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়।
বৈঠকে ইইউ প্রতিনিধি দলে ছিলেন পলিটিক্যাল অ্যানালিস্ট মার্সেল ন্যাগি, লিগ্যাল অ্যানালিস্ট এরিনি গোউনারি এবং নগর জামায়াত নেতাদের মধ্যে ছিলেন দলের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী শফিউল আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরী মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরিদা খানম, নগর সহকারী সেক্রেটারি আয়েশা পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদিকা শিরিন জাহান ও উম্মে ফাতেমা।
বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা দেশের সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ, রাজনৈতিক দলগুলোর গণসংযোগ কার্যক্রম এবং মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে জামায়াত নেতাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চান। এ সময় নগর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেশের আইন-কানুন ও নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে নিয়মতান্ত্রিকভাবে গণসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আমাদের নারী জনশক্তিরাও এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারীরা হামলা, অবমাননা ও শারীরিক হেনস্তার শিকার হচ্ছেন, যা আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে।’
তিনি জানান, নারীদের নিরাপত্তা দাবি ও দেশব্যাপী তাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আগামী ৩১ জানুয়ারি ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি মহিলা মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলায় জামায়াতের ৮ জন কর্মী আহত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছে। এসব ঘটনায় নির্বাচন কমিশন বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও আইন অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন আমির।