February 14, 2026, 5:30 am

কোন কোন খাতে অগ্রাধিকার দিতে পারে বিএনপি সরকার

Reporter Name
  • Update Time : Friday, February 13, 2026
  • 24 Time View

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। জেন-জিদের (তরুণ প্রজন্ম) নেতৃত্বে সংঘটিত গণ–অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মাসের পর মাস ধরে চলা অস্থিরতা শেষে এ ফলাফল দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দলটি ২০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জোরালোভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান বা মূলনীতি নিয়ে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া কিছু মূল প্রতিশ্রুতি নিচে তুলে ধরা হলো:

সংস্কার

‘জুলাই সনদের’ সব দফা বাস্তবায়ন করা—যার লক্ষ্য হলো নতুন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান তৈরি, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রবর্তন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আরও ব্যাপক পরিবর্তন করা।

বাণিজ্য

বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো আবার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া এবং রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনা।

বৈধভাবে পরিচালিত বিদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে তাদের নির্ধারিত লভ্যাংশ ৩০ দিনের মধ্যে নিজ দেশে ফেরাতে পারে, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

কর্মসংস্থান

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে প্রায় ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা।

মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যায্য ও মূল্যসূচকভিত্তিক মজুরি নিশ্চিত করা এবং প্রতি দুই বছর অন্তর তা পর্যালোচনার ব্যবস্থা চালু করা।

তরুণদের মধ্যে কারিগরি ও ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা।

অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম চালু করা, আঞ্চলিক ই-কমার্স হাব প্রতিষ্ঠা করা এবং ‘মেক ইন বাংলাদেশ’ উদ্যোগকে উৎসাহিত করা।

নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা, যার মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার জন্য মাসিক বরাদ্দ থাকবে।

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা।

সারাদেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা।

সামাজিক

শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড-ডে মিল’ বা দুপুরের খাবার কর্মসূচি চালু করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা।

উন্নত ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণের সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা।

সব ধর্মের উপাসনালয়ে ধর্মীয় নেতাদের জন্য প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ কর্মসূচি চালু করা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com