April 13, 2026, 2:19 am
সর্বশেষ সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে নিহত ৩৩৭৫ প্রতিপক্ষকে হামলার রাজনীতির শিক্ষক ইউনূস : আনিস আলমগীর হাজারো বাঙালির জয়গানে মাতোয়ারা টাইমস স্কয়ার, বর্ণাঢ্য আয়োজনে নিউইয়র্কে ইতিহাস গড়ল লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়াল ৯২ বছর বয়সে থেমে গেলেন কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে পয়লা বৈশাখ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার ট্রাম্পের হুমকির পর কঠোর বার্তা দিল আইআরজিসি মধ্যরাতে কোথায় যাচ্ছেন তাসনিম জারা— জানালেন নিজেই ভয় দেখিয়ে বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান কারাবন্দি ব্যারিস্টার সুমন

জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, April 12, 2026
  • 26 Time View
48

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রক্ষা করে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক ১১০টি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করার ঘটনাকে দেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর সংসদীয় ইতিহাসে এক অধিবেশনে এত বিপুল পরিমাণ বিল পাস বা অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করার নজির নেই।’

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাসের বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাসের প্রেক্ষাপট ও সরকারের সদিচ্ছা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমাদের একটি সদিচ্ছার ব্যাখ্যা আমি ছোট্ট করে দিতে চাই। আমাদের বাধ্যবাধকতা হলো— সকল বিল আইনে পরিণত করি অথবা ল্যাপস করি, যাই কিছু করি না কেন— তার সময় হলো ৩০ দিন। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই ৩০ দিনের বাধ্যবাধকতা আমাদের বাস্তবায়ন করতে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘১২ মার্চ পার্লামেন্ট বসেছে এবং সেদিনই আমরা সকল আইনগুলো উপস্থাপন করেছি। কিন্তু ১৩ ও ১৪ মার্চ শুক্র ও শনিবার হওয়ায় আমরা কাজ করতে পারিনি। এরপর শবে কদর ও ঈদের ছুটির কারণে ১৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদ বন্ধ ছিল। ফলে প্রথম ১৫ দিন আমরা মূলত কোনো কাজই করতে পারিনি।’

তিনি জানান, এই সীমিত সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অধিবেশনের প্রথম দিনই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির সদস্যরা ঈদের ছুটির মধ্যেও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দের অনুরোধে একজন নিরপেক্ষ আইন বিশেষজ্ঞকে কমিটির সাথে যুক্ত করা হয়েছিল।

সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বলেন, ‘এই বিলগুলো সম্পন্ন করতে আমি নিজে একেবারেই নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি। এত বেশি অধ্যাদেশকে বিল আকারে পাসের কাজ স্বাধীনতার পরে আর কখনো হয়নি।’

তিনি আরও জানান, বিশেষ কমিটির পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাইয়ের পর গত ২ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। সেই প্রতিবেদনের আলোকেই ১১০টি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হয়েছে। বাকিগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীলতা ও সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধারই বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com