March 15, 2026, 9:59 am
সর্বশেষ সংবাদ:
সবাই আজ এক কাতারে, কেউ যেন বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীসহ দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি নিরাপত্তা ইরান যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাধীনতার ৫৫ বছর – ঝালকাঠিতে ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেডের বর্ণিল আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী। সরকারের ভেতরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি ঠেকাতে পারিনি : ফরিদা আখতার আড়ংয়ে ব্যাগ না দেওয়ায় হাতে কাপড় নিয়ে ফিরলেন রুমিন ফারহানা উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমা : দুই সপ্তাহে ১৭ জাহাজে হামলা, নিহত ১ ইরান ও লেবানন একসঙ্গে ইসরাইলে ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঢাবি ভিসি ভদ্র-যোগ্য, তাকে কাজে লাগানোর সুযোগ আছে: শিক্ষামন্ত্রী কৃষক দল নেতা হত্যা মামলার আসামি জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

তিন দশক ধরে ঐতিহ্যের স্বাদ বহন করছে চুনিলাল মিষ্টি

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 29, 2025
  • 189 Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল বাজারের ছোট্ট এক দোকান আজ পরিচিত সারা দেশে। কারণ, সেখানে তৈরি হয় বিখ্যাত চুনিলাল মিষ্টি। যা স্থানীয়দের কাছে ‘রাজভোগ’ নামে পরিচিত। প্রায় তিন দশক ধরে সুনামের সঙ্গে এই মিষ্টি তৈরি করে আসছেন এলাকার প্রবীণ মিষ্টি কারিগর সুনীল মল্লিক ওরফে চুনিলাল (৭০)।

দেখতে সাধারণ হলেও সম্পূর্ণ দুধের ছানায় তৈরি এই মিষ্টির ভেতরটা নরম ও তুলতুলে। মুখে দিলেই গলে যায়। প্রতিটি রাজভোগের ওজন প্রায় ১৫০ গ্রাম এবং বর্তমানে এর দাম রাখা হয়েছে ৫০ টাকা।

চুনিলাল জানান, পাশের নাসিরনগর উপজেলার গৌরাঙ্গ রায়ের কাছ থেকে দুধের ছানায় রাজভোগ তৈরির কৌশল শেখেন তিনি। ১৯৮৮ সালে অরুয়াইল বাজারে চায়ের দোকান দিয়ে তার ব্যবসার শুরু হয়। শুরুতে চা, পুরি ও সিঙ্গারা বিক্রি করলেও পরবর্তীতে রাজভোগ তৈরিই তার মূল পেশা হয়ে ওঠে। এখন তার ছেলে গোপাল মল্লিক এই কাজে সহযোগিতা করছেন।

প্রতিদিন সকালে ছানা তৈরি থেকে শুরু করে বিকেল নাগাদ বিক্রি শেষ হয়ে যায় সব মিষ্টি। একেকটি কড়াইয়ে প্রায় ৮০টি মিষ্টি তৈরি হয়। দুপুর দেড়টার পর বিক্রি শুরু হয়, আর সন্ধ্যার আগেই সব বিক্রি শেষ হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, চুনিলালের মিষ্টির স্বাদ অন্য কোনো মিষ্টিতে পাওয়া যায় না। কেউ কেউ বলেন, এই মিষ্টি খেলে মনে হয় স্বাদের কোনো শেষ নেই। অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের জন্য উপহার হিসেবে এই মিষ্টি নিয়ে যান দেশের নানা প্রান্তে, এমনকি বিদেশেও পাঠানো হয়।

চুনিলাল বলেন, “আমি চেষ্টা করি নির্ভেজালভাবে মিষ্টি বানানোর জন্য। মানুষ ভালো বললে আমার ভালো লাগে। প্রতিদিন যতটা বানাই, ততটাই বিক্রি হয়।”

স্থানীয়রা মনে করেন, চুনিলাল মিষ্টি এখন শুধু একটি মিষ্টি নয়, বরং অরুয়াইল বাজারের পরিচিতি, ঐতিহ্য ও গর্ব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com