ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র হিসাবে নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, নির্বাচনের আগেই বিএনপি থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তাদের সঙ্গে বসতে রাজি হননি।
শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।
রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে তাকে নির্বাচনে হারানোর চেষ্টা করেছিল। তবে জনগণের রায়েই তিনি বিজয়ী হয়েছেন। আমার জয়ের আগে বিএনপি যখন বুঝতে পেরেছিল আমার জয় নিশ্চিত, তখন আমাকে ফোন করে বলেছিল-তাদের সঙ্গে বসলে ভালো হবে, এমপির চেয়ে বড় মন্ত্রী দেওয়া হবে। আমি সরাসরি না করে দিয়েছি। বলেছি ১২ তারিখের পর কথা হবে। বৃহস্পতিবার রাতেও কেউ কেউ ফোন করেছে, হয়তো অভিনন্দন জানানোর জন্য। এসব বিষয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই।
তিনি বলেন, ১২ তারিখের ভোটে যে জয় এসেছে, তা কেবল তার ব্যক্তিগত জয় নয়; বরং নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের জয়। এমনকি বিএনপির যেসব পদধারী নেতা তার বিরুদ্ধে কট‚ক্তি করেছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘তারা যদি এমন আচরণ না করত, তাহলে আমি এত ভোটের ব্যবধানে জয় পেতাম না। মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে অন্যায়, অবিচার ও অকৃতজ্ঞতার জবাব দিয়েছে।
সরাইলের দাঙ্গা-হাঙ্গামার সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার অঙ্গীকার করে রুমিন ফারহানা বলেন, এ নির্বাচনে শুধু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নয়, বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নেমেছিল। তারা ভেবেছিল, আমি শুধু বিএনপি করতাম বলেই আজকের রুমিন ফারহানা হয়েছি। কিন্তু জনগণ দেখিয়ে দিয়েছে-রাজনীতি মানুষের জন্য করলে মানুষই পাশে দাঁড়ায়।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনে যারা তার পক্ষে কাজ করেছেন, তাদের প্রত্যেকের কাছে তিনি ঋণী। আগামী দিনে নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নে নিবেদিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন