March 16, 2026, 10:03 am
সর্বশেষ সংবাদ:
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারী সব কেন্দ্র টার্গেট করা হবে: আইআরজিসি আমেরিকা নয়, জ্বালানি বাজারের আসল ‘বস’ এখন ইরান! নতুন করে ফ্যাসিবাদ তৈরি হবে না এমন বাংলাদেশ চাই: নাহিদ ইসলাম প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী ভর্তিতে লটারি নিয়ে হাসনাতের প্রশ্ন, জবাবে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্র চলে নীতি, প্রতিষ্ঠান ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বাদে হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত: ইরান খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে আজ দিনাজপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানকে পরাজিত করার ট্রাম্পের দাবি ‘হাস্যকর’: বাঘের কালিবাফ শত্রুদের আত্মসমর্পণ ছাড়া কোনো পথ নেই: আলি আব্দুল্লাহি

মার্কিন ভিসা বন্ডে বাংলাদেশিদের ভোগান্তি যেখানে

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, January 8, 2026
  • 112 Time View

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নীতির অংশ হিসেবে ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় দেশটিতে যেতে ইচ্ছুক সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নিয়ম অনুযায়ী, বি১ (ব্যবসায়িক) এবং বি২ (পর্যটন) ভিসার জন্য আবেদনকারীদের এখন থেকে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত বা বন্ড দিতে হতে পারে।  বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬ থেকে ১৯ লাখ টাকা, যা অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্যই একটি বড় আর্থিক বোঝা।  মূলত যারা ভিসা পাবেন তারা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন, তা নিশ্চিত করতেই ১২ মাস মেয়াদী এই পরীক্ষামূলক কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়ায় কনস্যুলার অফিসার আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে বন্ডের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। টাকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘পে ডট গভ’ (Pay.gov) ব্যবহার করতে হবে এবং কর্মকর্তার নির্দেশ ছাড়া আগেভাগে কোনো অর্থ প্রদান করা যাবে না। তবে বন্ড জমা দিলেই যে ভিসা নিশ্চিত হবে এমন কোনো নিশ্চয়তা স্টেট ডিপার্টমেন্ট দেয়নি, যদিও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে বন্ড দিতে বলা ইতিবাচক সংকেত হিসেবেই গণ্য হয়।

 

বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশিদের জন্য প্রবেশ ও প্রস্থানের ক্ষেত্রে নিউ ইয়র্কের জেএফকে, বোস্টনের লোগান এবং ওয়াশিংটনের ডুলস—এই তিনটি বিমানবন্দর সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে অন্য কোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করলে কিংবা অনুমোদিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন অবস্থান করলে বা আশ্রয়ের আবেদন করলে বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন হবে এবং জামানতের টাকা ফেরত পাওয়া জটিল হয়ে পড়বে। তবে যদি কেউ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে আসেন বা ভিসার মেয়াদে ভ্রমণ না করেন, তবে সেই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।  যদিও ফেরত পেতে ঠিক কতদিন সময় লাগবে তা জানানো হয়নি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন বিরোধী কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে এইচ-ওয়ানবি ভিসার খরচ বৃদ্ধি এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের মতো সিদ্ধান্তের পর এই ভিসা বন্ড কার্যকর করা হচ্ছে।  ট্রাভেল এজেন্সি সংশ্লিষ্টদের মতে, এই নিয়মের ফলে ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে, যা ট্রাভেল ও এয়ারলাইন খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে, কারণ এই তালিকায় নাম থাকা মানেই দেশটিকে ‘হাই-রিস্ক’ হিসেবে চিহ্নিত করা। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল ও ভুটানও এই নতুন ভিসা বন্ডের আওতায় পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com