August 18, 2026, 3:20 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
জলাবদ্ধতা ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান দাবি জামায়াতের সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের ফোন ব্যবহার নিয়ে যা বললেন কারা মহাপরিদর্শক জিয়া ও খালেদার সমাধিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্যদের শ্রদ্ধা সরকার বদলেছে, রাষ্ট্র কি বদলেছে? স্থানীয় সরকারের ৫ নির্বাচন চলতি অর্থবছরে: শাহে আলম স্থানীয় সরকার নির্বাচন চলতি অর্থবছরেই: শাহে আলম খিলক্ষেতের সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় মেজর সাদিক গ্রেফতার জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্র নয়, যুদ্ধকালীন নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় ১৮০ দিনে সরকারের যত পদক্ষেপ

টাকা বাঁচাতে লেভানদোভস্কিকে গোল করতে মানা করেছিল বার্সা!

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, November 20, 2025
  • 173 Time View
203

লা লিগায় সেই মৌসুমে বার্সেলোনার কাছে শিরোপা নিশ্চিত ছিল অনেক আগেই। গোলের পর গোল করে পিচিচি দৌড়েও বেশ এগিয়ে ছিলেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। ঠিক সেই সময়ই নাকি ঘটেছিল এক বিস্ময়কর ঘটনা—যা ফুটবল দুনিয়ায় এখন নতুন বিতর্ক ছড়াচ্ছে। পোলিশ তারকার নতুন জীবনী ‘Lewandowski. Prawdziwy’ প্রকাশের পর সামনে এসেছে এমন এক তথ্য, যা বার্সেলোনার আর্থিক সংকটকে আরও নগ্ন করে দিয়েছে।

লেখক সেবাস্তিয়ান স্তাশেভস্কির দাবি, ২০২২–২৩ মৌসুমে শেষ দুই ম্যাচ বাকি থাকতে লেভানদোভস্কিকে একটি বিশেষ বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বার্সেলোনার কয়েকজন পরিচালক—যার মধ্যে ছিলেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তাও। তখন লেভানদোভস্কির গোলসংখ্যা ২৩, আর চুক্তি অনুযায়ী ২৫ গোল ছুঁলেই বায়ার্ন মিউনিখকে অতিরিক্ত ২৫ লাখ ইউরো বোনাস দিতে হতো বার্সেলোনাকে।

সেই বৈঠকেই নাকি এক পরিচালক সরাসরি বলেন, ‘রবার্ট, শেষ দুই ম্যাচে তোমার গোল করা বন্ধ রাখতে হবে।’

বইয়ে উল্লেখ রয়েছে—এমন অনুরোধ শুনে স্তব্ধ হয়ে যান লেভানদোভস্কি। দীর্ঘ পেশাদার ক্যারিয়ারে কেউ তাকে গোল না করতে বলেনি কখনোই। শিরোপা জিতেই গেছে দল, পিচিচিও প্রায় নিশ্চিত—তবু এমন প্রস্তাব ছিল তার কাছে কল্পনাতীত। শেষ পর্যন্ত তিনি দুই ম্যাচেই গোল পাননি, যদিও মাঠে সম্পূর্ণ সময় খেলেছিলেন। তবে মরসুম শেষে পিচিচি ট্রফি ঠিকই তার হাতেই ওঠে, বেনজেমাকে পেছনে ফেলে।

বইটিতে আরও রয়েছে বার্সেলোনার আর্থিক টানাপোড়েনের আরেক নজির। এক সফরে দলের খাবার তালিকায় বৈচিত্র্য না দেখে লেভানদোভস্কি কারণ জানতে চাইলে ক্লাবের শেফ নাকি বলেছিলেন— “টাকা বাঁচাতে হবে।”

লেভানদোভস্কির এই জীবনী প্রকাশের পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে—একজন স্ট্রাইকারকে গোল না করতে বলার মতো পরিস্থিতিতে কীভাবে পৌঁছাল বার্সেলোনা? আর্থিক সংকট কি এতটাই তীব্র ছিল যে মাঠের পারফরম্যান্সেও হস্তক্ষেপ করতে হলো? নতুন এই প্রকাশনা যে কাতালান জায়ান্টদের আরেক দফা সমালোচনার মুখে ঠেলে দেবে, তা এখনই পরিষ্কার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com