চলতি বিশ্বকাপে এটাই ভারতের প্রথম হার। পাশাপাশি টি-২০ বিশ্বকাপে টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ভাঙল। এর আগে ২০২২ আসরের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে ১০ উইকেটের পরাজয়ের পর আর হারেনি ‘মেন ইন ব্লু’।
সব মিলিয়ে আইসিসি ইভেন্টে ভারতের টানা ১৮ ম্যাচের জয়রথও থামল। সর্বশেষ তারা হেরেছিল ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে; সেটিও হয়েছিল এই একই ভেন্যুতে।
এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ১৮৮ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত ১৮.৫ ওভারে ১১১ রানে অলআউট হয়। দলের হয়ে একমাত্র লড়াই করেন শিভাম দুবে। তিনি ৪২ রানের ইনিংস খেললেও দলকে জয়ের পথে নিতে পারেননি। হার্দিক পান্ডিয়া ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব করেন ১৮ রান। অভিষেক শর্মা (১৫) ও ওয়াশিংটন সুন্দর (১১) দুই অঙ্ক ছুঁলেও দক্ষিণ আফ্রিকার নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণের সামনে তা যথেষ্ট ছিল না।
মার্কো জ্যানসেন চার উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণে নেতৃত্ব দেন। কেশাভ মহারাজ ১৫তম ওভারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। করবিন বশ নেন দুই উইকেট এবং অধিনায়ক এইডেন মার্করাম একটি উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ ওভারে তোলে ১৮৭/৭। দলের পক্ষে মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস চতুর্থ উইকেটে ৪৯ বলে ৯৭ রানের জুটি গড়ে মূল কাজটি করেন। তবে শুরুটা ছিল নড়বড়ে। জাসপ্রিত বুমরাহ ও আর্শদীপ সিংয়ের তোপে ২০ রানের মধ্যেই ফিরে যান মার্করাম, কুইন্টন ডি কক ও রায়ান রিকেলটন।
চাপের মুখে মিলার-ব্রেভিস জুটি ম্যাচে গতি ফেরান। ব্রেভিস ২৯ বলে ৪৫ রান করে আউট হন। মিলার ৩৫ বলে ৬৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও তিনটি ছক্কা। পরে ট্রিস্টান স্টাবস অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে শক্ত ভিত দেন।
ভারতের হয়ে বুমরাহ চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। আর্শদীপ দুটি এবং বরুণ চক্রবর্তী ও দুবে একটি করে উইকেট শিকার করেন।