আবু বকর (রা.) বলেন, আমি মুশরিকদের পায়ের দিকে তাকালাম যখন আমরা গুহায় লুকিয়ে ছিলাম এবং তারা আমাদের মাথার ওপরে ছিল। অতঃপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! যদি তাদের মধ্যে কেউ তার পায়ের নীচে তাকায়, তবে সে আমাদেরকে দেখে ফেলবে।’ নবী (সা.) বললেন, ‘হে আবু বকর! সে দুই জন সম্পর্কে তোমার কী ধারণা, যাদের তৃতীয়জন আল্লাহ।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৬৫৩)
শিক্ষা
উল্লিখিত হাদিসের ব্যাখ্যায় আলেমরা কয়েকটি শিক্ষা তুলে ধরেন,
১. মুমিন চরম বিপদের সময়ও আল্লাহর সাহায্যের ব্যাপারে হতাশ হয় না। সে সর্বদা আল্লাহর ওপর ভরসা করে।
২. সর্বদা আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করা আবশ্যক। নিরাশা আল্লাহর প্রতি মন্দ ধারণা পোষণের নামান্তর।
৩. উল্লিখিত ঘটনা আবু বকর (রা.)-এর উচ্চ মর্যাদা প্রমাণ করে। কেননা এখানে তাঁকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলে সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সুরা তাওবার ৪০ নং আয়াতেও ঘটনাটি এভাবে বর্ণিত হয়েছে।
৪. নেতার দায়িত্ব হলো ভীতিকর পরিস্থিতিতে সঙ্গীদের আশ্বস্ত করা এবং তাদেরকে আল্লাহমুখী করা।
৫. ঈমান ও দ্বিন রক্ষার জন্য হিজরত করা তাওয়াক্কুল ও বীরত্বের পরিপন্থী নয়, বরং তা নবীদের সুন্নত। (মাউসুয়াতুল হাদিসিয়্যা)