একইসঙ্গে পরিচালন বাজেটের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ, আপ্যায়ন, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ও ভবন নির্মাণের মতো খাতে বরাদ্দের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পেট্রল ও লুব্রিকেন্ট এবং ভ্রমণ খাতে ব্যয় সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ শতাংশ।
একইসঙ্গে পরিচালন বাজেটের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ, আপ্যায়ন, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ও ভবন নির্মাণের মতো খাতে বরাদ্দের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পেট্রল ও লুব্রিকেন্ট এবং ভ্রমণ খাতে ব্যয় সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ শতাংশ।
পরিপত্র অনুযায়ী, সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সব ধরনের যানবাহন (মোটরযান, জলযান ও আকাশযান) ক্রয় স্থগিত করা হয়েছে।
আপ্যায়ন খাতে অব্যয়িত অর্থের সর্বোচ্চ অর্ধেক ব্যয় করা যাবে। মন্ত্রণালয় বা বিভাগ পরিচালিত অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণে বরাদ্দের ৫০ শতাংশ খরচ করা যাবে, তবে সরকারি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলো এই নিয়মের বাইরে থাকবে।
জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি এড়াতে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পেট্রল ও লুব্রিকেন্ট খাতে বরাদ্দের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ ব্যয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত পরিপত্রে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই নির্ধারিত সীমার বাইরে অতিরিক্ত কোনো ব্যয় করলে ভবিষ্যতে তার বকেয়া দাবি কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না। এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের ভ্রমণ ব্যয়ের ক্ষেত্রেও ৭০ শতাংশের বেশি খরচ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।