বিবিসি জানায়, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১১টি রাষ্ট্র প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ও চীন ভেটো দেওয়ায় প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়।
বিবিসি জানায়, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১১টি রাষ্ট্র প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ও চীন ভেটো দেওয়ায় প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়।
সপ্তাহব্যাপী আলোচনার পর প্রস্তাবের মূল খসড়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছিল। শুরুতে এটি জাতিসংঘের ‘অধ্যায় ৭’-এর অধীনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের অনুমোদনের কথা বললেও পরে তা বাদ দেওয়া হয়। চূড়ান্ত প্রস্তাবে সামরিক শক্তির বদলে ‘প্রয়োজনীয় সকল রক্ষণাত্মক ব্যবস্থা’ এবং সবশেষে ‘রক্ষণাত্মক প্রচেষ্টা জোরালোভাবে উৎসাহিত’ করার কথা বলা হয়েছিল।
নিরাপত্তা পরিষদের এই সভায় সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি। ভোটের আগে তিনি সদস্য দেশগুলোর উদ্দেশ্যে বলেন, এই প্রস্তাব কোনো নতুন পরিস্থিতি তৈরি করছে না, বরং ইরানের ক্রমাগত শত্রুভাবাপন্ন আচরণের একটি জরুরি ও যৌক্তিক প্রতিক্রিয়া মাত্র।
তিনি সতর্ক করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ রাজনৈতিক বা কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রচেষ্টাকে যদি নিরাপত্তা পরিষদ রুখে দিতে ব্যর্থ হয়, তবে তার ফল হবে ভয়াবহ।