July 1, 2026, 6:12 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ বাংলাদেশ সমর্থন করে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আমরা বলেছি সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করবো, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়:জামায়াত আমির রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে: শিক্ষামন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ জামায়াতের ছায়া বাজেট আর পাস হওয়া বাজেট কাছাকাছিই: শফিকুর রহমান ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

পরমাণু ইস্যুতে ২০ বছরের স্থগিতাদেশ চায় যুক্তরাষ্ট্র, প্রত্যাখ্যান ইরানের

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, April 14, 2026
  • 61 Time View
91

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং চলমান সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও প্রধান কিছু ইস্যুতে দুই দেশ এখনো একমত হতে পারেনি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, মার্কিন প্রশাসন ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি দীর্ঘ ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দল এই প্রস্তাব উত্থাপন করে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই ২০ বছরের স্থগিতাদেশের প্রস্তাবের বিনিময়ে ইরানকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে ইরান এই দীর্ঘ মেয়াদের প্রস্তাবের পরিবর্তে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম মাত্র পাঁচ বছরের জন্য স্থগিত রাখার পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল দেশটিকে পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে বিরত রাখা। যদিও ইরান শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে তাদের এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই ফিরে এসেছেন। আলোচনার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে পারমাণবিক ইস্যুর পাশাপাশি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

ভ্যান্স স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তার ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে এবং এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ইরানের ওপর। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান শুধু মুখে পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর কথা বললেই হবে না, বরং তা নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্তিশালী তদারকি ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে।

অন্যদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরান থেকে ইতোমধ্যে সমৃদ্ধ করা ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি মূল শর্ত। এই সংকটের মধ্যে রাশিয়া ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের হেফাজতে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে যাতে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সহজ হয়।

তবে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রস্তাবটি এখনো টেবিলে থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই এটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়নি। বর্তমানে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি প্রস্তাবের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়া এবং পারমাণবিক চুক্তির ভবিষ্যৎ এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে।

সূত্র: আল-আরাবিয়া।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com