August 18, 2026, 1:51 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
খিলক্ষেতের সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় মেজর সাদিক গ্রেফতার জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্র নয়, যুদ্ধকালীন নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় ১৮০ দিনে সরকারের যত পদক্ষেপ থানা হাজতে আ.লীগ নেতার ভিডিও, ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার রাশিয়ার নির্বাচনে নিষিদ্ধই থাকছে বিরোধী দল, উপপ্রধানের কারাদণ্ড রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের অগ্রযাত্রায় মেধাবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন বাসযোগ্য নগর গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাবিতে চা-শ্রমিকদের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরল নাটক ‘১৭০ টাকা’

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, May 2, 2026
  • 111 Time View
151

বাংলাদেশের চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, শোষণ ও মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরতে মঞ্চস্থ হয়েছে পথনাটক ‘১৭০ টাকা’। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সংলগ্ন পায়রা চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের সাংস্কৃতিক কর্মীদের অংশগ্রহণে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়।

আয়োজকরা বলেন, এই প্রযোজনার মাধ্যমে তারা একটি ‘অস্বস্তিকর কিন্তু বাস্তব’ সত্য সামনে আনতে চেয়েছেন।

নাটকের শুরুতেই ‘চল মিনি আসাম যাবো, দেশে বড় দুখ রে’ গানের মাধ্যমে চা-শ্রমিকদের ইতিহাস ও যন্ত্রণার প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়। কাহিনির বিভিন্ন পর্যায়ে শ্রমিকদের দৈনন্দিন সংগ্রাম, অপ্রতুল মজুরি, স্বাস্থ্যঝুঁকি, শিক্ষার অভাব এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা দাসত্বসদৃশ জীবনযাপন তুলে ধরা হয়।

নাটকের মাঝামাঝি সময়ে ‘মালিক সম্প্রদায়’ বা শোষণমূলক ব্যবস্থার প্রতীকী চরিত্রের আবির্ভাব ঘটে। এর মাধ্যমে চা-বাগানের শ্রমিকদের ওপর চলমান নিপীড়ন ও অমানবিক শ্রমপরিবেশ ফুটিয়ে তোলা হয়। ‘ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রি, এখানে থেমো না’ গানের মাধ্যমে নাটকটির সমাপ্তি ঘটে।

নাটকটির লেখক ও নির্দেশক মুবাশ্বির মাহমুদ নিবিড় বলেন, দেশের অন্যতম পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসেবে চা-শ্রমিকরা এখনো ন্যূনতম মানবিক জীবন থেকে বঞ্চিত। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নাগরিক অধিকার—সব ক্ষেত্রেই তারা বৈষম্যের শিকার।

তিনি বলেন, আমরা সংস্কৃতির মানুষ, আমাদের কাজ প্রশ্ন তোলা। এই নাটকের মাধ্যমে আমরা সেই প্রশ্নই তুলেছি, এর উত্তর রাষ্ট্র ও সমাজকে দিতে হবে।

নাটকের মাধ্যমে চা-শ্রমিকদের নিয়ে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেন আয়োজকরা। এর মধ্যে রয়েছে ন্যায্য ও বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো প্রণয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা ও নারী শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ মাতৃত্বকালীন সুবিধা নিশ্চিত করা, চা-বাগানের শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং চা-শ্রমিকদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার ও জমির মালিকানা প্রদান।

অভিনয়ে অংশ নেওয়া ওহিদুজ্জামান টনি বলেন, চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কোনো দয়া বা সহানুভূতির বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হয়েও তারা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নাটকে আরও অভিনয় করেন নিলয় বালা, আফরীনা আবতাহি আতীশা, তাসনিয়াদ শাওলিন, নাহিদ আলম ও তাসকিন খাঁন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com