August 18, 2026, 3:30 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী জলাবদ্ধতা ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান দাবি জামায়াতের সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের ফোন ব্যবহার নিয়ে যা বললেন কারা মহাপরিদর্শক জিয়া ও খালেদার সমাধিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্যদের শ্রদ্ধা সরকার বদলেছে, রাষ্ট্র কি বদলেছে? স্থানীয় সরকারের ৫ নির্বাচন চলতি অর্থবছরে: শাহে আলম স্থানীয় সরকার নির্বাচন চলতি অর্থবছরেই: শাহে আলম খিলক্ষেতের সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় মেজর সাদিক গ্রেফতার জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্র নয়, যুদ্ধকালীন নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া

গুমের দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, নতুন আইনের খসড়া প্রকাশ

Reporter Name
  • Update Time : Monday, July 27, 2026
  • 28 Time View
41

সরকার গুম রোধ ও এ ধরনের নিপীড়নের বিচার নিশ্চিত করতে ‘গুম নিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬’ শীর্ষক একটি খসড়া সংস্করণ প্রকাশ করেছে। খসড়াটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সোমবার, ২৭ জুলাই জনমত ও অংশীজনদের মতামতের জন্য তোলা হয়েছে। এখানে গুম সংজ্ঞায়ন থেকে শুরু করে বিচার ও দণ্ডের বিস্তারিত বিধান রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য যদি কাউকে গ্রেফতার বা আটক করার পর তা অস্বীকার করেন বা ওই ব্যক্তির অবস্থান গোপন রাখেন, তা গুম হিসেবে গণ্য হবে, আর ব্যাপক বা পরিকল্পিত গুম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের আওতায় নিয়ে যাওয়া হবে। সাধারণ গুমের জন্য অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ন্যূনতম তিনবছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। যদি গুমের ফলে ব্যক্তি মারা যান অথবা পাঁচ বছরের মধ্যে খুঁজে না পাওয়া যায়, তখন দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড; সঙ্গে অন্তত পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানাও করার বিধান রাখা হয়েছে।

আইনে অননুমোদিত গোপন আটককেন্দ্র (যেমন আয়নাঘর) নির্মাণ, ব্যবহার বা পরিচালনার জন্য কমপক্ষে পাঁচ বছরের কড়া কারাদণ্ড এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব আছে, আর সাক্ষ্যপ্রমাণ ধ্বংস বা পরিবর্তনের অপরাধেও একই ধরণের শাস্তি ধরা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ‘কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ স্বীকার করে যারা আদেশ দেন বা জেনে থেকেও প্রতিরোধ না করেন তারা মূল অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি পেতে পারেন; রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কথায় গুমকে ন্যায়সঙ্গত করা যাবে না।

গুম মামলার বিচার দায়রা জজ আদালতে হবে এবং তা শুরু হওয়ার পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ রাখা হয়েছে (প্রয়োজনে একবার ৩০ দিন বাড়ানো যাবে)। দোষী প্রমাণিত হলে কোর্ট দণ্ডিতের সম্পত্তি থেকে ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারবে। মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান উৎসাহিত করা হয়েছে এবং নিখোঁজদের তথ্য সংরক্ষণে কেন্দ্রীয় একটি ডাটাবেস তৈরির বন্দোবস্তও করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন আইন কার্যকর হলে গুমের শিকার ও তাদের পরিবার ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com