September 26, 2026, 7:37 am
সর্বশেষ সংবাদ:
সেরা হয়ে ১২ কোটি টাকা পেলেন, ১৬ বছর বয়সী কে এই নেনে ক্যামেরায় ধরা পড়ল কোয়ান্টাম জগতের রহস্য নানা সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বোমা হামলা থেকে জাতিসংঘে, কূটনীতির নতুন অধ্যায়ে ইরান বগুড়া পুলিশে বিল জালিয়াতি: আত্মসাৎ ৩ কোটি, তদন্তে ৩০ পুলিশ সদস্যের নাম ফেরাটা সুখের হলো না মানচিনির, বেলজিয়ামের কাছে হার ইতালির যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ভাবমূর্তি ‘নজিরবিহীন তলানিতে’ নামিয়েছেন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র সব প্রস্তাব মানলেও পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দেবে না ইরান ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না: গুতেরেস ইউরোপের সঙ্গে কোনো সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে না রাশিয়া: পুতিন

বগুড়া পুলিশে বিল জালিয়াতি: আত্মসাৎ ৩ কোটি, তদন্তে ৩০ পুলিশ সদস্যের নাম

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, September 26, 2026
  • 19 Time View

বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন আর্থিক খাত এবং বিলে ব্যাপক জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। ভুয়া ভ্রমণ ভাতা বা টিএ বিলের মাধ্যমে সরকারি তহবিল থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানে এই দুর্নীতির বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই পুরো প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত সরকারি দায়িত্ব পালন করেও অনেক পুলিশ সদস্য তাদের প্রাপ্য ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন, অথচ এই খাতের বরাদ্দকৃত অর্থ দ্রুত শেষ হয়ে যেত।

পুলিশের অভ্যন্তরীণ এই অনিয়মের সূত্রপাত ঘটে যখন জেলা সুপারের ব্যক্তিগত কম্পিউটার আইডি অন্য কারো মাধ্যমে ব্যবহারের বিষয়টি ধরা পড়ে। পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ সম্প্রতি দাপ্তরিক কাজ করার সময় তার আইডিতে অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করেন। বিষয়টি তিনি দ্রুত জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে অবহিত করেন এবং আইডির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পর শুরু হয় নিবিড় অনুসন্ধান। প্রাথমিক অনুসন্ধানেই পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অফিস সহকারী রাজিবুল ইসলাম এবং হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের অডিটর ফিরোজ আলমের নাম এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে উঠে আসে।

ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে গত আগস্ট মাসের শেষ দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করার পর একে একে বর্তমান ও সাবেক প্রায় ৩০ জন পুলিশ সদস্যের নাম এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রায় ২০ জন পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে অনেক সদস্য দাবি করেছেন যে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভুয়া বিলের টাকা জমা হলেও সেই অর্থ তুলে রাজিবুল ও ফিরোজের হাতে তুলে দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।

জালিয়াতির পুরো পরিধি এবং এর সঙ্গে জড়িত প্রকৃত কুশীলবদের চিহ্নিত করতে জেলা পুলিশের দুই হাজারেরও বেশি সদস্যের টিএ বিলের রেজিস্টার ও ব্যাংক হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হচ্ছে। অভিযুক্ত অডিটর ফিরোজ আলমকে ইতিমধ্যে রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং প্রধান হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকেও পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com