September 29, 2026, 2:05 am
সর্বশেষ সংবাদ:
‘ইরান যুদ্ধ নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র’ ‘হুমকি দিয়ে আন্দোলন দমানো যাবে না’, মধ্যরাতে উত্তাল চুয়েট গাজা পুনর্গঠন ও ফিলিস্তিনের অধিকারের প্রতি সমর্থন শ্রীলঙ্কার ‘হুমকি দিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না’, চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বাংলাদেশি নাবিক বললেন, ‘কেবিনে থাকলে হয়তো বেঁচে ফেরা হতো না’ ২৬টি স্যাটেলাইট স্থাপনের পর প্রশান্ত মহাসাগরে ল্যান্ডিং করল স্পেসএক্সের ‘স্টারশিপ’ ব্যক্তিগত ইভেন্টেও আরচারদের হতাশা এটা যৌনতা ও নিজের প্রয়োজন বোঝার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়: ৪১–এ পা দিয়ে রাধিকা নির্বাচনে প্রার্থীর ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা প্রশ্নে রুল অক্টোবরে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি আসছে: রোসাটম

মেয়েকে কামড়ানো রাসেল ভাইপার বোতলে পুরে হাসপাতালে বাবা

Reporter Name
  • Update Time : Monday, September 28, 2026
  • 24 Time View

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল নীলকমল ইউনিয়নের শেখকান্দি গ্রামে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেনের চার বছরের শিশুকন্যা মরিয়ম বাড়ির সামনে খেলাধুলা করছিল। খেলা শেষে ঘরে ফেরার পথে হঠাৎ করেই তার পায়ে আক্রমণ করে একটি বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ। সন্তানের চিৎকার শুনে তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্য ও আশেপাশের লোকজন দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন।

পরিস্থিতি বুঝে ঘাবড়ে না গিয়ে শিশুটির বাবা মনির হোসেন এক চরম সাহসিকতার পরিচয় দেন। তিনি চারপাশের ঝোপঝাড় তল্লাশি করে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে ওই সাপটিকে জীবিত অবস্থায় একটি প্লাস্টিকের বোতলে বন্দী করেন। ওঝা বা সাপুড়ের কাছে সময় নষ্ট না করে তিনি মেয়েকে কোলে তুলে নেন এবং এক হাতে বোতলবন্দী সাপ নিয়ে দ্রুত হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রওনা হন। অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা শিশুটির চিকিৎসায় সর্বাত্মক গুরুত্ব দেন। চিকিৎসকদের দ্রুত পদক্ষেপে মরিয়মকে সময়মতো অ্যান্টিভেনম ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যথাসময়ে হাসপাতালে নিয়ে আসার কারণে শিশুটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে রাসেল ভাইপারের বিষের জটিলতার ঝুঁকি এড়াতে তাকে চিকিৎসকদের ২৪ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসিবুল হাসিব জানান, বাবা যেভাবে সাপটিকে নিরাপদে বোতলে বন্দী করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন, তাতে কোন সাপে কেটেছে তা শনাক্ত করা সহজ হয়েছে। এর ফলে দ্রুত সঠিক প্রতিষেধক নির্ধারণ করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুমে নদীতীরবর্তী অঞ্চলে সাপের উপদ্রব বাড়লেও কুসংস্কার এড়িয়ে সাধারণ মানুষ এখন চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com