October 2, 2026, 9:10 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
বিডিনিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর ইন্তেকাল উপাসনালয়ে নিরাপত্তা দিতে না পারা অত্যন্ত উদ্বেগের: আসিফ মাহমুদ ছুরিকাঘাতের পরও ককপিটের দরজা খুলেছিলেন পাইলট, ভয়ংকর সেই রাতের কথা জানালেন মোদিকে বিডিনিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই ভারতকে সম্মান করেই খেলবে ব্রাজিল, বললেন আনচেলত্তি বাংলাদেশে কীভাবে ও কেন কোরিয়ান সংস্কৃতি এত জনপ্রিয় হয়ে উঠলো? স্কয়ার গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন অনলাইনে ভবিষ্যতে যাওয়া সম্ভব হলে অতীতে ফেরা যাবে না কেন বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ ৭ জন নিহত

বাংলাদেশে কীভাবে ও কেন কোরিয়ান সংস্কৃতি এত জনপ্রিয় হয়ে উঠলো?

Reporter Name
  • Update Time : Friday, October 2, 2026
  • 14 Time View

বাংলাদেশের তরুণ সমাজের মধ্যে বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাব দীর্ঘদিনের তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর পুরো চিত্রটাই যেন বদলে গেছে। পশ্চিমা বা অন্যান্য সংস্কৃতির গণ্ডি পেরিয়ে এখন কিশোর ও যুবসমাজ বুঁদ হয়ে আছে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন জগতের মোহে। বিশেষ করে কোরিয়ান ড্রামা বা সংক্ষেপে কে-ড্রামা এবং কোরিয়ান পপ মিউজিক বা কে-পপ এ দেশের তরুণ প্রজন্মের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার একটি বড় অংশ দখল করে নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের সহজলভ্যতার কারণে এই সাংস্কৃতিক ঢেউ এখন দেশের প্রতিটি কোণায় আছড়ে পড়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার এই পপ সংস্কৃতি বা হ্যালু ওয়েভের জনপ্রিয়তা রাতারাতি তৈরি হয়নি। এর পেছনে রয়েছে অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ, যার মধ্যে রয়েছে আবেগঘন ও পারিবারিক মূল্যবোধসম্পন্ন গল্প বলার ধরন। কোরিয়ান ধারাবাহিকগুলোতে সাধারণত মানবিক সম্পর্ক, গভীর ভালোবাসা এবং জীবনের নানা কঠিন বাস্তবতার চিত্র সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয় যা খুব সহজেই এ দেশের দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। তাছাড়া দৃশ্যমান নান্দনিকতা, চমৎকার চিত্রগ্রহণ এবং শিল্পীদের নান্দনিক ফ্যাশন সচেতনতা তরুণদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করছে।

কে-ড্রামার জনপ্রিয়তা কেবল বিনোদনের মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই বরং এটি একটি সামগ্রিক সাংস্কৃতিক আগ্রহে রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশের তরুণরা এখন কেবল নাটক দেখেই ক্ষ্যান্ত হচ্ছে না, তারা কোরিয়ান ভাষা শেখার প্রতিও কৌতূহলী হয়ে উঠছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোরিয়ান ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর বিভিন্ন কর্মশালা এবং ক্লাবের কার্যক্রম দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে। এমনকি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কোরিয়ান খাবার, যেমন র‍্যামেন বা কিমচির প্রতি আগ্রহ এবং তা রান্নার ভিডিও তৈরির প্রবণতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সাংস্কৃতিক এই বিনিময় দুই দেশের দূরত্ব কমিয়ে আনার পাশাপাশি বৈশ্বিক সংস্কৃতির এক নতুন মেলবন্ধন তৈরি করেছে। যদিও কেউ কেউ মনে করেন অতিরিক্ত বিদেশি সংস্কৃতি চর্চার ফলে দেশীয় ঐতিহ্য ম্লান হতে পারে, তবুও এর ইতিবাচক দিকটিকে অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই মনে করেন কোরিয়ান কন্টেন্টের মার্জিত উপস্থাপনা এবং সামাজিক শিষ্টাচার তাদের মানসিক গঠনেও ইতিবাচক প্রভাব রাখছে। সব মিলিয়ে বলা চলে, দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্কৃতি এখন আর কেবল একটি সাময়িক প্রবৃত্তি নয় বরং এ দেশের তরুণ সংস্কৃতির একটি স্থায়ী ও শক্তিশালী অংশে পরিণত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com