October 5, 2026, 12:59 am
সর্বশেষ সংবাদ:
প্রীতম–শেহতাজের বিবাহবিচ্ছেদ, কারণ জানালেন দুজন জয়ের সেঞ্চুরি, রুয়েলের ৫ উইকেট হুতিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ যখন পাকিস্তানের পাশে, তখন রাশিয়া ভারতের পাশে ছিল: জয়শঙ্কর আয়নাবাজি: দক্ষিণ কোরিয়ায় থেকেই আদালতে আত্মসমর্পণ, পরে ধরা পড়ল জালিয়াতি ভেঙে গেল প্রীতম-শাহতাজের সংসার, দিলেন বিচ্ছেদের ঘোষণা দশ বছরের দাম্পত্যে ইতি, বিচ্ছেদের পথে প্রীতম-শাহতাজ ‘ভবিষ্যতে একজন প্রকৌশলী হয়ে বাবার কষ্ট কমাতে চাই’ এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারের চেহারা বদলাবে: অর্থমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ

ছেলে-পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়ায় স্কুলের মাঠে কলাগাছ লাগালেন জমিদাতা

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, October 3, 2026
  • 22 Time View

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা বিদ্যালয়ে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্যের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সারি সারি কলাগাছ রোপণ করা হয়েছে। এছাড়া মূল ফটকে বাঁশের বেড়া দেওয়া এবং শিক্ষকদের কার্যালয়ের দরজায় অতিরিক্ত তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছুটির দিনে এমন আকস্মিক কাণ্ডে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় লোকজনের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে পুঠিয়ার ভালুকগাছি গ্রামে ‘মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৪ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা স্কুল’ রাখা হয়। বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ের পাশাপাশি ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নিয়মিত পাঠদান চলছে এবং পর্যায়ক্রমে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই জমিদাতা আজাদ আলী ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধ চলে আসছিল।

প্রতিষ্ঠানটির দাতা সদস্য আজাদ আলীর দাবি, কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে তিনি জমি দান করেছিলেন এবং তাঁর ছেলে ও ছেলের বউকে চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান না হওয়া এবং পরিবারের সবাইকে চাকরি না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। তাঁর আরও অভিযোগ, বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ঠিকমতো পরিচালিত হচ্ছে না। এই ক্ষোভ থেকেই তিনি মূলত বিদ্যালয়ের মাঠে কলাগাছ লাগিয়েছেন এবং কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানিয়েছেন যে আজাদ আলী প্রথমে নিঃশর্তভাবে জমি দান করলেও পরবর্তীতে নানা দাবি তুলতে শুরু করেন। প্রধান শিক্ষকের দাবি, ইতিমধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে অন্য পদগুলোতে নিয়োগের বিষয়েও কমিটির সম্মতি ছিল। এদিকে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এ ধরনের কার্যক্রম কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং বর্তমানে সেখানে নিয়মিত পাঠদান চলছে। বিষয়টির আইনি সুরাহার জন্য ইতোমধ্যে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com