October 7, 2026, 7:56 am
সর্বশেষ সংবাদ:
অনেক উঁচু থেকে পিঁপড়া ফেলে দিলে মরে না কেন ৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত পদক, জিন্নাতের মনে পড়ছে বাবাকে গবেষণা বলছে হাড়ের যত্নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তিল চুয়েট-সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ: দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থবিরতা চাঁপাইনবাবগঞ্জ: মধ্যরাতে সারিতে দাঁড়িয়েও সার পাচ্ছেন না কৃষক সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপনে ‘স্বপ্ন সারথী’র সংবর্ধনা মসজিদের বিদ্যুৎ নীতিমালা ও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুপারিশ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির বসনিয়ার কাছে পোল্যান্ডের হার বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: এক বছরে দারিদ্র্যের ফাঁদে আরও ২১ লাখ মানুষ লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: মধ্যরাতে সারিতে দাঁড়িয়েও সার পাচ্ছেন না কৃষক

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 7, 2026
  • 12 Time View

জাতীয় ডেস্ক: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাজুড়ে রাসায়নিক সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। ফসলের জমিতে সঠিক সময়ে সার প্রয়োগের সময় চলে এলেও ডিলার পয়েন্টে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়েও অনেকে খালি হাতে ফিরছেন। কোনো কোনো এলাকায় মধ্যরাত থেকে সারির অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় সার মিলছে না। কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি মূল্যে সার না পেয়ে তাঁরা চরম বিপাকে পড়েছেন এবং বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে খুচরা বাজার থেকে সার সংগ্রহ করছেন।

সম্প্রতি সদর উপজেলার দেবীনগর বোর্ডপাড়া এলাকায় সরকারি দামে সার কিনতে ডিলার পয়েন্টে কয়েক শ কৃষকের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ না পাওয়ায় সেখানে চরম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ কৃষকদের সঙ্গে দায়িত্বরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিয়ে ডিলারদের কাছ থেকে মাসে মাত্র এক বা দুই বস্তা সার পাওয়া যায়, যা তাদের চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।

ডিলারদের দাবি, কৃষকদের চাহিদার তুলনায় সরকারি বরাদ্দ অনেক কম থাকায় সবাইকে একসঙ্গে প্রয়োজনীয় সার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে জেলায় সারের কোনো সংকট নেই, বরং বরাদ্দের সীমাবদ্ধতার কারণে এই সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, ডিলার পয়েন্টে সার না পেয়ে কৃষকেরা খুচরা বাজারে ছুটছেন এবং সেখানে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের জন্য বস্তাপ্রতি দুই শ থেকে আট শ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছে।

সদর উপজেলা ছাড়াও নাচোল, গোমস্তাপুর, ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ উপজেলায় সারের দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ ও মারামারির মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। গোমস্তাপুরে সার না পেয়ে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ এবং ভোলাহাটে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঠপর্যায়ে প্রকৃত চাহিদার সঙ্গে সারের বরাদ্দ এবং বাজার মনিটরিং ব্যবস্থার সমন্বয়হীনতার কারণেই কৃষকদের এই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com