November 5, 2026, 2:01 am
সর্বশেষ সংবাদ:
নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে: জহরত আদিব চৌধুরী শুধু দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন থাকলেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা যায় না সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগারগাঁওয়ে আবারও সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস বিতর্কিত ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’ প্রকল্পের নথি দেখানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের হোঁচট, চাপে পড়তে পারেন ইনফান্তিনো বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের সঙ্গে ডিজিইপের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক ইরান যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে: ডেমোক্র্যাট নেতা শুমার মাদক সেবনের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার, ১৫ দিনের কারাদণ্ড

প্রাণিসম্পদে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে: প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, November 4, 2026
  • 22 Time View

জাতীয় ডেস্ক: প্রাণিসম্পদ খাতে অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিতভাবে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি জানান, বিশেষ করে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা এএমআর সংকট মোকাবিলায় দেশজুড়ে ব্যাপক সচেতনতা বাড়াতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধ করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক বা নির্ধারিত ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে খামারিদের গবাদিপশু লালন-পালনের উৎপাদন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। তাই খামারিদের সচেতন করার পাশাপাশি কঠোর নজরদারির ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

ভ্যাকসিন আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রাণিসম্পদ খাতের চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ টিকা দেশীয় প্রযুক্তিতে উৎপাদিত হয়, আর বাকি ৮৫ শতাংশ টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এই উচ্চ আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে এবং দেশের ভেতরেই প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে সংশ্লিষ্ট গবেষকদের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম আরও বেগবান করার তাগিদ দেন তিনি।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন যুগান্তকারী উদ্ভাবনের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যেই দুটি নতুন ভ্যাকসিন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর করেছে। আগামী দিনে এ ধরনের জনকল্যাণকর প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন হস্তান্তরের প্রক্রিয়া আরও দ্রুততর হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com