November 5, 2026, 2:10 am
সর্বশেষ সংবাদ:
নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে: জহরত আদিব চৌধুরী শুধু দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন থাকলেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা যায় না সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগারগাঁওয়ে আবারও সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস বিতর্কিত ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’ প্রকল্পের নথি দেখানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের হোঁচট, চাপে পড়তে পারেন ইনফান্তিনো বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের সঙ্গে ডিজিইপের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক ইরান যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে: ডেমোক্র্যাট নেতা শুমার মাদক সেবনের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার, ১৫ দিনের কারাদণ্ড

সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি, সাইবার সুরক্ষা আইনে যুক্ত হচ্ছে বিধান

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, November 4, 2026
  • 18 Time View

আইন-আদালত ডেস্ক: সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষায় সাইবার সুরক্ষা সংশোধন আইন ২০২৬-এর খসড়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংবাদ প্রকাশের জেরে কোনো সাংবাদিক, গণমাধ্যমের মালিক কিংবা দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের আগে আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান যুক্ত করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই সংশোধনী কার্যকর হলে সংবাদকর্মীদের অহেতুক হয়রানি রোধ করা সম্ভব হবে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মতামতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে প্রস্তাবিত আইনটির খসড়া চূড়ান্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে আইনটি যেন কোনোভাবেই সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়টি কঠোরভাবে নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় মানহানি, সাইবার বুলিং এবং হেয় প্রতিপন্ন করার মতো বিষয়গুলোকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মানহানির সংজ্ঞা ও এর শাস্তির বিধান প্রচলিত দণ্ডবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি গুজব ও অপতথ্যের সংজ্ঞা আরও পরিষ্কার করা হচ্ছে, যাতে ব্যাখ্যার অস্পষ্টতার কারণে গণমাধ্যমের কাজের পরিধি সংকুচিত না হয়। এছাড়া কোনো সংবাদপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে লিখিত নোটিশ প্রদান এবং তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের পর্যাপ্ত সুযোগ রাখার প্রস্তাবও বিবেচনাধীন রয়েছে।

সভায় মোবাইল কোর্টের বিধান বাদ দেওয়া, কনটেন্ট ব্লক বা অপসারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে কারণ জানানো এবং অবমুক্তির আবেদন নিষ্পত্তির সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। সাইবার অপরাধ দমনের পাশাপাশি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য। খসড়া আইনটি অংশীজনদের মতামত নেওয়ার জন্য পুনরায় ওয়েবসাইটে প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে জনসাধারণের অংশগ্রহণে এটি আরও বেশি সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com