November 6, 2026, 12:24 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
৩০ কেজি চালের বদলে কেউ পেলেন ৪৫০ টাকা, কেউ কোনোটিই পাননি জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি তিন জেলায় নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা, বছরে মোট উৎপাদনের লক্ষ্য ২৭ লাখ টন সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন কমিটির প্রস্তুতি ১১ দলের হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়া শিক্ষাগুরু শাহনাজ পারভীন | একজন শিক্ষক: প্রজন্মের কারিগর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোর করে ঠেলে পাঠানোর নিন্দা জানাল ভারতের নাগরিক সমাজ সরকারিভাবে বিনাখরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি: অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে, যেসব নথিপত্র লাগবে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে দিনমজুরের টাকায় তিন সড়কে ১১ যাত্রীছাউনি ৪৫তম বিসিএসে গেজেট বঞ্চিতদের রি-ভেরিফিকেশন চালু, সিদ্ধান্ত চলতি মাসে

তিন জেলায় নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা, বছরে মোট উৎপাদনের লক্ষ্য ২৭ লাখ টন

Reporter Name
  • Update Time : Friday, November 6, 2026
  • 14 Time View

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের কৃষি খাতে সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং বিদেশ থেকে আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে নতুন তিনটি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তত্ত্বাবধানে ভোলা, চট্টগ্রাম ও নরসিংদীতে এই আধুনিক কারখানাগুলো নির্মাণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের বার্ষিক সার উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা। বর্তমান চাহিদার তুলনায় দেশীয় উৎপাদন কম থাকায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ সার আমদানিতে সরকারের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে, যা এই উদ্যোগের মাধ্যমে অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী, ভোলার প্রস্তাবিত কারখানাটিতে প্রতিদিন ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার জন্য নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের উত্তর পতেঙ্গায় টিএসপিসিএল কমপ্লেক্সের খালি জায়গায় বার্ষিক চার লাখ মেট্রিক টন ক্ষমতার একটি নতুন টিএসপি সার কারখানা স্থাপন করা হবে। এছাড়া নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসির অব্যবহৃত জমি কাজে লাগিয়ে বছরে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া ফরমালডিহাইড-৮৫ বা ইউএফ-৮৫ উৎপাদনের আরেকটি কারখানা গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট শিল্পাঞ্চলগুলোর অবকাঠামোগত সুযোগ পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে দেশের সার চাহিদার একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় এবং এর বিপরীতে সরকারকে প্রতি মেট্রিক টনে উচ্চ হারে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বিসিআইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি সারের চাহিদার তুলনায় দেশীয় কারখানাগুলোর উৎপাদন বেশ কম হওয়ায় সিংহভাগ চাহিদা মেটাতে আমদানি ছাড়া গত্যন্তর থাকে না। এই আর্থিক চাপ কমাতে এবং সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে নতুন কারখানা স্থাপনের পাশাপাশি বিদ্যমান কারখানাগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর কাজও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নতুন এই তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে দেশের কৃষিক্ষেত্রে সার সংকট দূর হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকল্পগুলোর নির্মাণকাজ থেকে শুরু করে পরবর্তীতে কারখানা পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় হাজার হাজার মানুষের কাজের ক্ষেত্র তৈরি হবে। বিসিআইসি চেয়ারম্যান মোল্লা বাবুল মিঞা জানিয়েছেন যে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ, কারিগরি প্রস্তুতি, সঠিক অর্থায়ন এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পগুলোর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com