November 6, 2026, 12:36 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
শর্টকাটে টাকা ইনকামের পথ খুঁজলে ভালো আইনজীবী হওয়া যায় না: আইনমন্ত্রী ৩০ কেজি চালের বদলে কেউ পেলেন ৪৫০ টাকা, কেউ কোনোটিই পাননি জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি তিন জেলায় নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা, বছরে মোট উৎপাদনের লক্ষ্য ২৭ লাখ টন সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন কমিটির প্রস্তুতি ১১ দলের হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়া শিক্ষাগুরু শাহনাজ পারভীন | একজন শিক্ষক: প্রজন্মের কারিগর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোর করে ঠেলে পাঠানোর নিন্দা জানাল ভারতের নাগরিক সমাজ সরকারিভাবে বিনাখরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি: অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে, যেসব নথিপত্র লাগবে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে দিনমজুরের টাকায় তিন সড়কে ১১ যাত্রীছাউনি

জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি

Reporter Name
  • Update Time : Friday, November 6, 2026
  • 14 Time View

অর্থনীতি ডেস্ক: নারী ও পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য কমানোর মূল লক্ষ্য নিয়ে জাতীয় বাজেটে জেন্ডার সংবেদনশীল বরাদ্দ রাখা হলেও এর সুফল নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে। সম্প্রতি রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এই কথা বলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় একশনএইড বাংলাদেশের সুশীল প্রকল্প এবং প্রথম আলোর যৌথ উদ্যোগে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কেবল নামমাত্র বাজেট বাড়ালেই চলবে না, বরং জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন এবং এর সঠিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

বৈঠকে উপস্থাপিত মূল ধারণাপত্রে জানানো হয়, সাম্প্রতিক অর্থবছরে পাস হওয়া জাতীয় বাজেটের প্রায় ৩৫ শতাংশ জেন্ডার-সংশ্লিষ্ট খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে যে বরাদ্দ রাখা হয় তার সিংহভাগই চলে যায় বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক ব্যয়ে, আর উন্নয়নমূলক কাজের জন্য থাকে খুব সামান্য অংশ। এর ফলে সরাসরি সেবা ও নারীদের কল্যাণে নেওয়া কর্মসূচিগুলো কতটা উপকৃত হচ্ছে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। বক্তারা মনে করেন, বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি নারীর নিরাপত্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকেরা জেন্ডার বাজেটের মান মূল্যায়নের ওপর বিশেষ জোর দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা বলেন, প্রকৃত চিত্র জানতে শুধু বরাদ্দ দেখলেই হবে না, বরং বাস্তবায়নের ফলাফলও মূল্যায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ বাড়াতে নিরাপদ আবাসন, যাতায়াত ব্যবস্থা এবং মানসম্মত দিবাযত্ন কেন্দ্র গড়ে তোলার তাগিদ দেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশ নলেজ হাবের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম কেবল মন্ত্রণালয়ভিত্তিক নয়, বরং অঞ্চলভিত্তিক বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরে নিয়মিত পরিবীক্ষণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজনীতিবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা জেন্ডার বৈষম্য দূর করতে সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, পরিবার থেকেই ছেলেসন্তানদের জেন্ডার সংবেদনশীল করে গড়ে তুলতে হবে এবং বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর দাবিও জানানো হয় এই আয়োজনে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com