জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন হবে মন্তব্য করে জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘সনদ বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে অভ্যুত্থানে সঙ্গে বেঈমানি হবে।’ ১৭ অক্টোবর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সবাই জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেছেন। যারা দুই একজন স্বাক্ষর করেননি, আশা করি তারাও ভবিষ্যতে করবেন। এটা উন্মুক্ত রাখা আছে। আজ ১৭ অক্টোবর (শুক্রবার)
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘জুলাই সনদে সই করা বা না করা সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। যদি তারা (এনসিপি) পরবর্তীতে সই করতে চায়,
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দিনে জুলাই শহীদ পরিবারগুলোকে রাস্তায় নামতে হয়েছে। এটা লজ্জার। ইন্টেরিম সরকারের ব্যার্থতা জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের রাস্তায় নামতে বাধ্য
ময়মনসিংহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক ব্যক্তির কমেন্টের জবাবে ‘বেহেতশ’ নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে ধর্ম অবমাননার মামলায় কারাগারে থাকা সংস্কৃতিকর্মী শামীম আশরাফকে (৩৮) আদালত জামিন দিলেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুই মামলায়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে আটটি হলের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণা করা
‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ সই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপি’র শীর্ষ নেতাদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে জুলাই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। তবে এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে কিনা তা জানতে হলে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। আমরা অবশ্যই সনদে স্বাক্ষর করব, যদি আমাদের যে কথাগুলো বলেছি
বাংলাদেশ নারী বিশ্বকাপ আয়োজন করবে—এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল অনেকদিন ধরে। গত সপ্তাহে সরকারি সবুজ সংকেতও পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন। প্রায় সাড়ে ১০ কোটি