March 15, 2026, 1:20 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
আপনারা কোনো নাগরিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করবেন না: ইউনিয়ন কর্মকর্তাদের হাসনাত এসএসসির প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী ইসরায়েলের পর এবার ইউক্রেনেও হামলা চালানোর ঘোষণা ইরানের ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার বেঁচে থাকা নিয়ে সংশয় ট্রাম্পের আমাদের আত্মরক্ষার সক্ষমতা রয়েছে: ইরান সংসদে এ রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেয়ার অধিকার নেই: ডা. তাহের ট্রাম্পকে ‘প্রতারণার মাধ্যমে’ যুদ্ধে জড়িয়েছেন নেতানিয়াহু: ইরানি পার্লামেন্ট স্পিকার হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে ‘ভয়াবহ বোমা হামলার’ হুমকি ট্রাম্পের যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ চললে ইসরায়েল ধ্বংস হতে পারে: ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টা ইসরায়েলি সেনাদের ব্যারাকে ৪৭বার হামলা চালিয়েছে হিযবুল্লাহ

সরকারি খাদ্য গোডাউনে ৫৬২ মেট্রিক টন ধান-চালের হদিস মেলেনি

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, January 11, 2026
  • 114 Time View

কুড়িগ্রামে সরকারি খাদ্য গোডাউনে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও সাড়ে ৪১ মেট্রিক টন চালের হদিস পাওয়া পায়নি। এ ছাড়াও গোডাউনে নিম্নমানের চালের মজুত পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) কুড়িগ্রাম সদরের সরকারি খাদ্য গুদামে পরিচালিত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কুড়িগ্রামের সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান উপসহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং আতিকুর রহমান অংশ নেন। এ সময় খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাদ্য গুদামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ করা, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ক্রয় এবং গুদামের খাদ্যশস্য অন্যত্র বিক্রি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয় এমন অভিযোগে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে জেলা সদরের ১২টি গুদামের খাদ্য মজুত যাচাই করা হয়। এতে বিভিন্ন গুদামে প্রায় ৫২১ মেট্রিক টন ধান এবং ১ হাজার ৩৭২ বস্তা চাল ঘাটতি পাওয়া গেছে। ৩০ কেজি ওজনের বস্তার এসব চালের ওজন প্রায় ৪১ মেট্রিক টন। এ ছাড়াও একটি গুদামে ৫০ কেজি ওজনের ২ হাজার ৪০৭ বস্তা ( প্রায় ১২০ মেট্রিকটন) চাল পাওয়া গেছে যার মজুদের কোনও নথি দেখাতে পারেনি খাদ্য বিভাগ।

অভিযানে খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, এলএসডি) শরীফ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। তবে গুদামের এই পরিমাণ খাদ্যশস্য ঘাটতির বিষয়ে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।

দুদক সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলাম বলেন, ধান-চাল ঘাটতি এবং অতিরিক্ত চালের বস্তা মজুতের বিষয়ে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কোনও রেজিস্টার, রেকর্ড বই বা কোনও প্রকার ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি। এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক একটি যাচাই কমিটি করে দিয়েছেন। তারা বিষয়গুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেবেন। সেটি সহ আমরা আমাদের অভিযানের সার্বিক বিষয় প্রতিবেদন আকারে আমরা প্রধান কার্যালয়ে পাঠাবো। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক ও ওসি (এলএসডি) শরীফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com