April 12, 2026, 8:29 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
চাইলেও হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে পারবে না ইরান! আটকা পড়া বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুত হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে পারবে: ঢাবিতে ইরানের রাষ্ট্রদূত ‘দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না’ হামলার পর আবার চালু সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন পরিবর্তনের পথে প্রধান বাধা বর্তমান বিএনপি: নাহিদ ইসলাম আলোচনা ব্যর্থ, ট্রাম্পের সামনে কঠিন ৩ পথ শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি দেখছিলেন ‘হরমুজের চাবি হারিয়ে ফেলেছি, নতুন পরাশক্তিকে স্বাগত জানান’: ট্রাম্পকে ইরানের খোঁচা অন্তবর্তী সরকারের তড়িঘরি করে জারি করা কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে মাত্র এক বৈঠকেই সমাধান প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়: পাক-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আলোচনা ব্যর্থ, ট্রাম্পের সামনে কঠিন ৩ পথ

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, April 12, 2026
  • 5 Time View
8

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুদ্ধবিরতি নিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষই কোনো চুক্তিতে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হতে পারেনি। তবে এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন তিনটি কঠিন পথ খোলা আছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্য মতে, প্রথমত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়ে যাওয়া।

দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ আবার শুরু করা, যা ইতিমধ্যে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানিসংকট তৈরি করেছে। তৃতীয়ত, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘ লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়া।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই। তিনি সাপ্তাহিক ছুটিতে ফ্লোরিডায় গেছেন।

এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আমরা আমাদের রেডলাইন স্পষ্ট করে দিয়েছি। কোন বিষয়ে ছাড় দিতে রাজি আছি সেটাও বলেছি। তারা আমাদের শর্ত মানতে রাজি হয়নি।’

বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ভাষায়, ইরানের উচিত সহজভাবে ‘আত্মসমর্পণ’ করা।

কিন্তু অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে ভিন্ন কথা। ওবামা আমলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে শেষ বড় চুক্তি হতে দুই বছর লেগেছিল। সেই চুক্তিতেও ইরানকে অল্প পরিমাণ পারমাণবিক মজুদ রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে। এ বিষয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়ে ইরান বলছে, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির স্বাক্ষরকারী হিসেবে নিজের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা তাদের অধিকার।

তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এটাই প্রমাণ করে ইরান সব সময় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ রাখতে চায়। ৪০ দিনের যুদ্ধ এই অবস্থানকে নরম করেনি, বরং আরো শক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমাদের প্রিয়জনদের ক্ষতি আমাদের জাতির স্বার্থ ও অধিকার রক্ষার সংকল্পকে আগের চেয়ে আরো দৃঢ় করেছে।’

শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষই মনে করছে, প্রথম দফায় তারা জিতেছে। সে কারণে কেউই এখন সমঝোতার মেজাজে নেই। তবে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে ২১ এপ্রিল। তবে যুদ্ধ আবার শুরুর হুমকি ট্রাম্পের হাতে সবচেয়ে বড় চাপ তৈরির হাতিয়ার। কিন্তু এই পথে রাজনৈতিক মূল্য অনেক বেশি। কারণ বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। যুদ্ধ আবারও শুরু হলে বাজার পড়বে, সংকট বাড়বে, মূল্যস্ফীতি আরো চাপে পড়বে, যা এখনই ৩.৩ শতাংশে আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com