July 1, 2026, 7:16 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
এবার ঢাকা থেকে সারা দেশের এইচএসসি পরীক্ষা মনিটরিং করা যাবে পরবর্তী সেনাপ্রধান কে? আলোচনায় চার লেফটেন্যান্ট জেনারেল সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে হত্যার হুমকি, ‘পোষ্যদের’ শিক্ষা দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ বাংলাদেশ সমর্থন করে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আমরা বলেছি সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করবো, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়:জামায়াত আমির রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে: শিক্ষামন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ জামায়াতের ছায়া বাজেট আর পাস হওয়া বাজেট কাছাকাছিই: শফিকুর রহমান ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী

‘হরমুজের চাবি হারিয়ে ফেলেছি, নতুন পরাশক্তিকে স্বাগত জানান’: ট্রাম্পকে ইরানের খোঁচা

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, April 12, 2026
  • 60 Time View
83

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইস্টারের সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে দাবি করেছিলেন—হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দিতে হবে। এর জবাবে জিম্বাবুয়েতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস সংক্ষিপ্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ প্রতিক্রিয়া জানায়: “আমরা চাবিটা হারিয়ে ফেলেছি।”

ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের সামরিক পদক্ষেপের পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরানের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোর ‘এক্স’ (টুইটার) অ্যাকাউন্টগুলো বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। একের পর এক পোস্টে ট্রাম্পকে বিদ্রুপ করে তারা দ্রুতই ভাইরাল হয়ে উঠেছে।

এই অনলাইন প্রচারণায় বিশেষভাবে এগিয়ে রয়েছে আফ্রিকার দেশগুলোতে অবস্থিত ইরানি মিশনগুলো। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকাতে ইরানের দূতাবাসের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে।

গত বুধবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার দিনই দক্ষিণ আফ্রিকায় ইরানি দূতাবাস তাদের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে লিখেছিল—“বিশ্বের নতুন পরাশক্তিকে স্বাগত জানান।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ওয়াশিংটনের প্রতি কটাক্ষ করা হয়। বার্তাটি ছিল—শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আমেরিকা ইরান সরকারকে নত করতে পারেনি।

এর আগেও তারা ট্রাম্পের ‘শান্তিদূত’ ভাবমূর্তিকে ব্যঙ্গ করে একটি ছবি পোস্ট করে, যেখানে একটি পায়রার ছায়া যুদ্ধবিমানের আকার নিয়েছিল। যদিও অন্যান্য দেশেও ইরানের কূটনৈতিক মিশনগুলো ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছে, দক্ষিণ আফ্রিকার দূতাবাসের সক্রিয়তা সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে।

জোহানেসবার্গভিত্তিক আফ্রো-মিডল ইস্ট সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নাঈম জিনা বলেন, ইরান খুব কৌশলগতভাবে সামাজিক মাধ্যমে এই প্রচার চালাচ্ছে। তার মতে, ইরানি মিশনগুলো বিশেষ করে সেসব দেশে বেশি আক্রমণাত্মক অনলাইন ভূমিকা নিচ্ছে, যেখানে স্থানীয়ভাবে তেমন বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা নেই—দক্ষিণ আফ্রিকা তার একটি বড় উদাহরণ।

ইরান ও দক্ষিণ আফ্রিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন আগেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার জানিয়েছে, তাদের অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে নির্ধারিত এবং তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো পক্ষের অনুসারী হতে চায় না।

এদিকে, ইরানের এই প্রচারণা শুধু বিদ্রুপেই সীমাবদ্ধ নয়। দক্ষিণ আফ্রিকার দূতাবাস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এমন কিছু ভিডিও তৈরি করেছে, যেখানে ইরানের মিনাব শহরে মার্কিন হামলায় নিহত শিশুদের ভার্চুয়ালভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তাদের ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথাও তুলে ধরা হয়।

তিউনিসিয়াসহ আফ্রিকার আরও কিছু দেশে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস একই ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে। কখনও স্বাগতিক দেশের প্রশংসা, আবার কখনও আন্তর্জাতিক সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়ে তেহরান বোঝাতে চাইছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে তারা একা নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com