October 3, 2026, 6:56 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ফ্যাসিবাদের পাহারাদার তারেক রহমানের দপ্তর: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী সরকার জন্মগত ঠোঁট ও তালু কাটা শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে অঙ্গীকারবদ্ধ: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আজ রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিকের জ্বালানি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী—ছড়ানো তথ্যটি সঠিক নয় ঢাকায় কাল শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ অবশেষে ধুমধামে বিয়ে সুচিত্রার চলতি মাসেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ছেলেকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে প্রাণ গেল বাবার এসিআইয়ের ওয়েলনেস ও হাইজিন বিজনেসের সিওও খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৩ অক্টোবর ২০২৬

ইলিশের ডিমের কেজি ৬ হাজার টাকা

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, July 29, 2026
  • 93 Time View

ইলিশের ভরা মৌসুম। অথচ দেশের অন্যতম বৃহৎ ইলিশের পাইকারি বাজার চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে নেই সেই চিরচেনা কর্মব্যস্ততা। নদীতে ইলিশের সরবরাহ কয়েক গুণ কমে যাওয়ায় বাজারে বেড়েছে মাছের দাম। এর প্রভাব পড়েছে ইলিশের ডিমের বাজারেও। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায়।

মাছঘাট ঘুরে দেখা যায়, কয়েক বছর আগেও যেখানে সারি সারি আড়তে নোনা ইলিশ তৈরির ব্যস্ততা ছিল, সেখানে এখন অধিকাংশ আড়ত বন্ধ। ১০ থেকে ১৫টি নোনা ইলিশ ও ডিমের আড়তের মধ্যে বর্তমানে মাত্র দুটি আড়তে সীমিত পরিসরে কাজ চলছে। কর্মচারীরা অল্পসংখ্যক নরম ইলিশ কেটে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করছেন। মাছের ডিম আলাদা করে প্লাস্টিকের বক্সে রাখা হচ্ছে। তবে মাছের সরবরাহ কম থাকায় ডিমের পরিমাণও অনেক কমে গেছে।

আড়তসংশ্লিষ্টরা জানান, নরম ইলিশ লবণ দিয়ে বিভিন্ন ধাপে প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। একইভাবে মাছের ডিমও আলাদা করে সংরক্ষণ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়। কিন্তু এবার ইলিশের আমদানি কম থাকায় ডিমের উৎপাদনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ফলে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ না থাকায় দাম বেড়ে গেছে।

ইলিশের ডিম কিনতে আসা ক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, ডিমের দাম অনেক বেশি। এক কেজি ডিমের দাম ৬ হাজার টাকা চেয়েছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এই দামে কেনা সম্ভব নয়।
আরেক ক্রেতা মানিকুর রহমান বলেন, ইলিশ মাছের দামই অনেক বেশি। তাই ভাবছিলাম অন্তত ডিম কিনব। কিন্তু ডিমের দামও নাগালের বাইরে। এক কেজি ডিমের জন্য ৬ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। এত টাকা দিয়ে ডিম কেনার সামর্থ্য নেই, তাই খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে।
ইলিশের আড়তদার মো. সম্রাট বলেন, মাছঘাটে ইলিশের ডিমের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু তুলনামূলকভাবে মাছ কম আসায় ডিমেরও সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমানে নোনা ইলিশের প্রতি মণের দাম প্রায় ৭০ হাজার টাকা। তাই ডিমের কেজি ৬ থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

আরেক আড়তদার মো. নুরে আলম বলেন, ঘাটে এখন ইলিশ খুবই কম আসে। ডিমযুক্ত মাছও কম পাওয়া যাচ্ছে। আগে নিয়মিত মাছ কাটলেও এখন সপ্তাহে মাত্র একবার ইলিশ কাটতে হয়। এক মণ ইলিশ কাটলে মাত্র ৪ থেকে ৫ কেজি ডিম পাওয়া যায়। তাই বাজারে ডিমের দাম বেড়ে গেছে।
লোনা ইলিশ বিক্রেতা মো. মনির হোসেন বলেন, ইলিশের সংকটের কারণে আগের মতো ডিম পাওয়া যাচ্ছে না। চাহিদা অনুযায়ী ক্রেতাদের ডিম দিতে পারছি না। সরবরাহ কম থাকায় দামও বেশি।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শবেবরাত সরকার বলেন, চাহিদার তুলনায় ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। এ কারণে বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের ডিম ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের আমদানি কমে যাওয়ায় ডিমের দামও বেড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com