September 26, 2026, 3:12 am
সর্বশেষ সংবাদ:
এমবাপ্পের গোলে তুরস্কের বিপক্ষে জয়, শুরু হলো ফ্রান্সে জিদান-যুগ সরকারি মেডিকেল কলেজ: হাসপাতাল নেই ১২টিতে, ব্যবহারিক শিক্ষায় বাধা নায়কের স্ত্রী পছন্দ করতেন না, সিনেমা থেকে বাদ পড়ার অদ্ভুত কারণ জানালেন তাপসী ইসলামাবাদ সমঝোতায় ফিরতে যুক্তরাষ্ট্রকে শি জিনপিংয়ের আহ্বান, ইরানের প্রশংসা সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে—পাকিস্তানি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন জয়শঙ্করের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের মধ্যাহ্নভোজ বৈঠক নেতিবাচক মন্তব্য থেকে সন্তানকে দূরে রাখতে চান জনপ্রিয় ব্যতিক্রমী দম্পতি ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজধানীমুখী মিছিল, ইসলামাবাদে লকডাউন ট্রাম্প-সি বৈঠকে অর্জন কম, ততেও কেন খুশি চীন সৌদি মিত্ররা একজোট, হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুতি বিদ্রোহীরা

ইসলামাবাদ সমঝোতায় ফিরতে যুক্তরাষ্ট্রকে শি জিনপিংয়ের আহ্বান, ইরানের প্রশংসা

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, September 26, 2026
  • 14 Time View

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান সংঘাত এড়াতে ঐতিহাসিক ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) ওয়াশিংটনকে পুনরায় ফিরে আসার তাগিদ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানান তিনি। কূটনীত ও সংলাপের মাধ্যমে তেহরান ও ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের বৈরিতা নিরসনের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত উত্তেজনা প্রশমনে বেইজিংয়ের এমন মধ্যস্থতামূলক ভূরাজনৈতিক ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চীনের শীর্ষ নেতার এমন দায়িত্বশীল ও বিচক্ষণ অবস্থানের প্রতি উষ্ণ অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় তিনি শি জিনপিংয়ের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তেহরান সবসময়ই সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো আন্তর্জাতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। পূর্বনির্ধারিত রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করা এবং অর্থবহ আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য যে, এর আগে এই ইসলামাবাদ এমওইউর কাঠামোর আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সশস্ত্র সংঘাত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা সম্ভব হয়েছিল। পাশাপাশি উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী কূটনৈতিক বৈঠকের একটি সুনির্দিষ্ট পথরেখাও তৈরি হয়েছিল এই চুক্তির মাধ্যমে। তবে নানা রাজনৈতিক জটিলতা ও আস্থার সংকটের কারণে সেই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়নি এবং দুই দেশের সম্পর্কে ফের অবনতি ঘটেছিল। বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এই পুরনো সমঝোতা পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক অবিশ্বাস দূর করে কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে বসার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান। মার্কিন প্রশাসনের তরফ থেকে এখনও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও, চীনের মধ্যস্থতার ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় সেটাই এখন দেখার বিষয়। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগগুলো দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com