July 2, 2026, 7:13 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
মানব ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জানাজার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, অংশ নেবে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন, শিক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো! শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামি হচ্ছেন ইনু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার কঠোর হস্তে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির মরদেহ নেওয়া হবে ঐতিহাসিক কারবালায় আবারও দাম কমলো এলপি গ্যাসের সংসদে মেসি-রোনালদোর ‘ফ্রেন্ডলি গেম’ চলছে না: চিফ হুইপ ইউক্রেনের হামলায় জ্বালানি সংকট, ভারত থেকে পেট্রল আমদানি করছে রাশিয়া ‘জাতীয় কবি এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ’

ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের আহ্বান চীনের

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, March 18, 2026
  • 41 Time View
44

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলাম বিদ্বেষের প্রতি শূন্য সহনশীলতার (জিরো টলারেন্স) নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে চীন। সোমবার আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় দেওয়া ভাষণে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সব দেশের উচিত চরমপন্থি মতাদর্শ ও সভ্যতার সংঘাতকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতার উসকানি নিষিদ্ধ করা, শান্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা।

সুন লেই আরও বলেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। এটি সমগ্র মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, শান্তি ও উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং সংহতি ও সহযোগিতা জোরদারে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রচেষ্টাকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করে।

বর্তমানে বিশ্বের অনেক অংশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য এবং সহিংসতা বেড়েই চলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামোফোবিয়া সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই একযোগে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংহতি ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত ও মতপার্থক্য নিরসনে কাজ করতে হবে। অবশ্যই যৌথভাবে উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের পথে এগোতে হবে, যাতে জনগণ উন্নয়নের সুফল ও সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সাফল্য ভোগ করতে পারে।

সুন লেই বলেন, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার মূল কারণ, অর্থাৎ দারিদ্র্য ও অসমতা দূর করতে হবে। আমাদের অবশ্যই যৌথভাবে বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে হবে, বিভিন্ন জাতি, সংস্কৃতি ও ধর্মের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করতে হবে, জনগণের মধ্যে বন্ধনকে লালন করতে হবে এবং সব ধরনের বাধা ও ভুল-বোঝাবুঝি দূর করতে হবে।

সূত্র: সিনহুয়া

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com