নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮ এ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী এনেছে দেশের নির্বাচন কমিশন। এই সংশোধনীর মাধ্যমে কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত প্রতীক তালিকায় একটি নতুন সংযোজন আনা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীরা সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রতীক পাওয়ার সুযোগ লাভ করবেন।
কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ ও হালনাগাদ প্রতীক তালিকা অনুযায়ী, পূর্বের তালিকায় থাকা ১১৯টি প্রতীকের সঙ্গে এবার নতুন করে ‘না’ প্রতীকটিকে যুক্ত করা হয়েছে। দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার ইতিহাসে প্রতীক বরাদ্দের ক্ষেত্রে এটি একটি ব্যতিক্রমী ও উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভোটারদের মতামত বা অন্য কোনো বিশেষ নির্বাচনী প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে এই প্রতীকটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে প্রতীক তালিকার এই ব্যাপক পরিবর্তনের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক প্রতীকগুলোর ক্ষেত্রেও কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাসীন দলের বহুল ব্যবহৃত ‘নৌকা’ প্রতীকটি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সংস্কারের অংশ হিসেবে কমিশন নিয়মিত বিভিন্ন ধারা এবং প্রতীকগুলোর তালিকা পর্যালোচনা করে থাকে। বর্তমান কমিশনের এই নতুন প্রজ্ঞাপন দেশের আসন্ন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যতে এই প্রতীকগুলো কীভাবে এবং কার অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা পরবর্তীতে প্রকাশ করতে পারে নির্বাচন কমিশন।