২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির আইনজীবী খালাসের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ দীর্ঘ শুনানির পর বিচারক রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রেখেছেন। এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে আসামি করা হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়া ২৮ জন সাক্ষীর কেউই ওবায়দুল কাদের বা অন্য কোনো আসামিকে সরাসরি গুলি বা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ দিতে পারেননি। আইনজীবীদের ভাষ্যমতে, ঘটনার সময়ে কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বা নির্দেশ দেওয়ার কোনো সুযোগ ওবায়দুল কাদের বা অন্যদের ছিল না, বরং যাবতীয় নির্দেশনা আসত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে।
প্রতিরক্ষাপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইসরাত জাহান জানান, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে হত্যা, প্ররোচনা বা উসকানির কোনো অকাট্য প্রমাণ রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি। প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তারা খালাসের দাবি জানিয়েছেন।