July 1, 2026, 5:27 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ জামায়াতের ছায়া বাজেট আর পাস হওয়া বাজেট কাছাকাছিই: শফিকুর রহমান ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি

গঙ্গার পানি পেতে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নদী কমিশন দাবি

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, May 17, 2026
  • 59 Time View
66

গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ ও বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে চীন, নেপাল, ভুটান, ভারত এবং বাংলাদেশকে নিয়ে একটি আঞ্চলিক নদী কমিশন গঠন করার দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।

আজ শনিবার বিকেলে রাজশাহী নগরীর বড়কুঠি পদ্মার পাড়ে ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উদযাপন কমিটি আয়োজিত গণজমায়েতে এ কথা বলেন তারা। মওলানা ভাসানীর ৫০তম ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বক্তারা বলেন, নদী কমিশন গঠিত হলে এ অঞ্চলের নদী অববাহিকায় পানির সুষম বণ্টন ও পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা যাবে। তাছাড়া নদী অববাহিকার দরিদ্র মানুষের আর্থিক উন্নতি, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং অবহেলিত নারী ও শিশুদের অধিকার সংরক্ষণ নিশ্চিত সম্ভব হবে।

নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের রাজশাহীর সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল মজুমদার, নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী, ভাসানী পরিষদের সদস্যসচিব আজাদ খান ভাসানী, রাজশাহী স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহসভাপতি সুলতান মাহমুদ সুমন প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রিভারাইন পিপলের সেক্রেটারি জেনারেল শেখ রোকন।

বক্তারা বলেন, গঙ্গা নদীতে ভারতের ফারাক্কা বাঁধ, তিস্তা নদীতে বাঁধ এবং অন্যান্য নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি সরিয়ে নেওয়ার ফলে বাংলাদেশ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ভারত সরকারের কাছে প্রতিকার এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করতে হবে। নতুবা দ্বিপক্ষীয়ভাবেও এই সমস্যার সমাধান করা যাবে না।

তাদের মতে, নেপালে জলাধার নির্মাণ করে হিমালয়ের পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করা গেলে শুকনো মৌসুমে ফারাক্কায় পানিপ্রবাহ এক লাখ ৩০ হাজার কিউসেক থেকে এক লাখ ৯০ হাজার কিউসেক পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। তাতে সবাই লাভবান হবে। জলাধারের সাহায্যে নেপাল প্রতিবছর প্রায় সাড়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে, যা নেপাল বাংলাদেশেও রপ্তানি করতে পারবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com