March 3, 2026, 4:46 am
সর্বশেষ সংবাদ:
চন্দ্রগ্রহণ আজ, দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আয়াতুল্লাহ খামেনির স্ত্রীর মৃত্যু ইরানে ‘বড় হামলা’ এখনো শুরুই হয়নি: ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বাহরাইনের রাজার শোক প্রকাশ ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় যুক্ত হচ্ছে না যুক্তরাজ্য: স্টারমার যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ইরান সরকারের হাতে নয়, বিপ্লবী গার্ডের কাছে হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করল লেবানন সরকার একাদশ বিসিএস ফোরামের নির্বাহী কমিটি গঠন ঝাঁকে ঝাঁকে কামিকাজে: ইরানের সস্তা অস্ত্র বদলে দিচ্ছে যুদ্ধের বাস্তবতা ইরান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ঝাঁকে ঝাঁকে কামিকাজে: ইরানের সস্তা অস্ত্র বদলে দিচ্ছে যুদ্ধের বাস্তবতা

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, March 3, 2026
  • 17 Time View

সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো আমাদের দেখিয়েছে, কম খরচের একটি ড্রোন মিলিয়ন ডলার মূল্যের ট্যাংক বা বিলিয়ন ডলারের রাডার সিস্টেম ধ্বংস করতে পারে। বিশ্বব্যাপী সামরিক ড্রোনের বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কামিকাজে ড্রোন এই বাজারের দ্রুত বর্ধনশীল একটি খাত। কারণ এগুলো সাশ্রয়ী, নির্ভুল এবং শনাক্ত করা কঠিন। মধ্যপ্রাচ্য থেকে পূর্ব ইউরোপ পর্যন্ত, এই বিস্ফোরক ড্রোনগুলো যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলকে নতুন রূপ দিয়েছে।

কামিকাজে ড্রোন কী?

“কামিকাজে” শব্দটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার জাপান থেকে এসেছে। এর অর্থ “দিব্য বাতাস” (divine wind)। ঐতিহাসিকভাবে এটি সেই আত্মঘাতী পাইলটদের বোঝাত, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের বিমান শত্রুদের যুদ্ধজাহাজের ওপর আছড়ে দিতেন। বর্তমানে এই ধারণাটি মানুষের পরিবর্তে যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

কামিকাজে ড্রোন হলো এমন এক ধরনের মানববিহীন আকাশযান, যা একইসঙ্গে নজরদারি ও আঘাত হানার সক্ষমতা রাখে। এটি নির্দিষ্ট এলাকার ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভেসে থাকতে পারে; ক্যামেরা, জিপিএস, ইনফ্রারেড সেন্সর বা এআই-ভিত্তিক সিস্টেমের মাধ্যমে হুমকি শনাক্ত করতে পারে এবং এরপর লক্ষ্যবস্তুর দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হয়।

একটি কামিকাজে ড্রোন (যাকে সুইসাইড ড্রোন, লয়টারিং মিউনিশন বা ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোনও বলা হয়) মূলত একটি নির্দেশিত উড়ন্ত বোমা। প্রচলিত ড্রোনের মতো মিশন শেষে এগুলো ঘাঁটিতে ফিরে আসে না; বরং লক্ষ্যবস্তু খুঁজে বের করে আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হওয়ার জন্যই এগুলো তৈরি। সেই প্রক্রিয়ায় নিজেও ধ্বংস হয়ে যায়।

কামিকাজে ড্রোন কীভাবে কাজ করে?

লয়টারিং মিউনিশন একটি সুস্পষ্ট অপারেশনাল ধাপ অনুসরণ করে। প্রথমে, এটিকে একটি টিউব লঞ্চার, যানবাহন-সংযুক্ত প্ল্যাটফর্ম, অথবা গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। কিছু উন্নত ভার্সন আবার বড় ড্রোন থেকেও ছোড়া যায়।

উৎক্ষেপণের পর ড্রোনটি “লয়টার” পর্যায়ে প্রবেশ করে। অর্থাৎ এটি নির্ধারিত এলাকার ওপর চক্কর দিতে থাকে এবং অপারেটরদের কাছে রিয়েল-টাইম ভিডিও পাঠায়। এর মাধ্যমে কমান্ডাররা আঘাত হানার আগে লক্ষ্যবস্তু নিশ্চিত করতে পারেন।

ছোট আকার এবং অনেক নিচ দিয়ে উড়েতে সক্ষম বলে এর রাডার সিগনেচারও কম। ফলে কামিকাজে ড্রোন অনেক সময় প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়। এদের উড্ডয়নপথ থাকে অনিশ্চিত, পাশাপাশি ঝাঁক ঝাঁকে হামলা চালানোর সক্ষমতা প্রতিরোধ বা ভূপাতিত করাকে আরও কঠিন করে তোলে।

এটি একটি ডেল্টা-উইং এয়ারফ্রেম ব্যবহার করে, যার পেছনে পুশার প্রপেলার থাকে। এর ডানার বিস্তার প্রায় ২.৫ মিটার এবং ওজন আনুমানিক ২০০–২৫০ কেজি। এটি ঘণ্টায় ১৮৫–২০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে। আনুমানিক পাল্লা ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত; যা এটিকে শত্রু সীমার গভীরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম করে তোলে। এটি ৪০ থেকে ৫০ কেজি উচ্চ-বিস্ফোরক ওয়ারহেড হন করতে পারে; যা অবকাঠামো, কমান্ড সেন্টার এবং জ্বালানি ডিপো ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।

এটি যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের মতো বহুমুখী ড্রোন থেকে ভিন্ন। রিপারের মতো ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র বহন করে মিশন শেষ করে ঘাঁটিতে ফিরে আসে। কিন্তু একটি কামিকাজে ড্রোন একবারই ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি আক্রমণ চালানোর পর লক্ষ্যবস্তুর সঙ্গে নিজেও ধ্বংস হয়ে যায়।

ইরান ইয়েমেনে হুথি মিলিশিয়াদের বিপুল পরিমাণ ড্রোন এবং সেসব তৈরি ও উৎক্ষেপণের প্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের অনেকে বলেন, ইরান এই করেছে যাতে হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে পারে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের তেল পরিশোধনাগার ও খনি আব্কাইক এবং খুরাইসের উপর পরিচালিত হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সে ঘটনা বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারকে প্রভাবিত করেছিল।

২০২৫ সালের জুনেও মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সংঘাতে ইরান ব্যাপক পরিমাণ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে। এই তথ্যগুলো সাম্প্রতিক কিছু পরিস্থিতির পাশাপাশি ইরানের সামরিক-প্রযুক্তি ও সংঘর্ষে ড্রোন ব্যবহারের বিস্তৃত প্রেক্ষাপট তুলে ধরে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসারাইলের সঙ্গে চলমান সংঘাতেও ইরানের অন্ততম অস্ত্র এই কামিকাজে ড্রোন। মার্কিন–ইসরাইলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান এবং সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালাচ্ছে। কাতার, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতসহ আরব দেশগুলো ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।

কামিকাজে ড্রোন এত কার্যকর কেন?

আধুনিক যুদ্ধে আত্মঘাতী ড্রোনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে।

এর মধ্যে প্রথমেই আসে খরচের বিষয়টি। অনেক বহনযোগ্য লয়টারিং মিউনিশনের দাম ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ডলারের মধ্যে। যেখানে উন্নত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতিটির দাম ১০ লাখ ডলারেরও বেশি হতে পারে। এই মূল্য বৈষম্য তুলনামূলক ছোট সামরিক বাহিনীকে ব্যয়বহুল যুদ্ধবিমান ছাড়াই নির্ভুল আঘাত হানার সুযোগ করে দেয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এর নির্ভুলতা। একটি কামিকাজে ড্রোন মাঝপথে মিশন বাতিল করতে পারে, যদি দেখা যায় যে নির্ধারিত এলাকায় বেসামরিক লোকজন প্রবেশ করেছে। এই রিয়েল-টাইম নিয়ন্ত্রণ কৌশলগত নমনীয়তা বাড়ায়। যে সুবিধা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না।

এই ড্রোনগুলোর আরেকটি সুবিধা হলো, এগুলো রাডারে শনাক্ত করাও বেশি কঠিন। ১৯৯০–এর দশকে ইসরাইল এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির তৈরি আইএআই হার্পি সিস্টেমটি বিশেষভাবে শত্রুর রাডার স্থাপনা ধ্বংসের জন্য নকশা করা হয়েছিল। এরপর থেকে নতুন মডেলগুলো আরও হালকা এবং স্বয়ংক্রিয় হয়েছে।

সাম্প্রতিক সংঘাতে বড় মডেল যেমন শাহেদ-১৩৬ দীর্ঘপাল্লার আঘাত হানার সক্ষমতা দেখিয়েছে; যা ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি বলে দাবি করা হয়। আর বহনযোগ্য সিস্টেম যেমন— এরোভাইরনমেন্ট সুইচব্লেড এতটাই ছোট যে সৈন্যরা এগুলো ব্যাকপ্যাকে বহন করতে পারে।

ইরানের কামিকাজে ড্রোন কৌশল মূলত অর্থনৈতিক যুদ্ধনীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। শাহেদ-১৩৬ এর প্রতিটি ইউনিটের খরচ প্রায় ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে। একটি প্রচলিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের খরচের তুলনায় এটি অতি সামান্য। কারণ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এর ফলে ইরান বিপুল পরিমাণে এগুলো উৎপাদন ও মোতায়েন করতে পারে। একসঙ্গে শত শত ড্রোন দিয়ে হামলা চালাতে পারে।

বৈষম্যটি আরও স্পষ্ট হয় যখন বিবেচনা করা হয় যে, এগুলো ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের দাম অনেক বেশি। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের এমআইএম-১০৪ পেট্রিয়ট বা ইসরাইলের আইরন ডোমের প্রতিটি ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ লাখ ডলার থেকে ৩০ লাখ ডলারেরও বেশি হতে পারে। অর্থাৎ, একটি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে প্রতিপক্ষকে বাধ্য করার জন্য ইরানের খরচ করতে হয় ৪০ হাজার ডলারের মতো। অপরদিকে প্রতিপক্ষকে এগুলো ঠেকাতে খরচ করতে হয় তার দশ থেকে একশ গুণ বেশি।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইরান তাদের হাদিদ-১১০ জেটচালিত সুইসাইড ড্রোনের প্রথম ব্যাচ ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি) এর কাছে হস্তান্তর করে। আইআরজিসির এই ড্রোন ঘণ্টায় প্রায় ৫১০–৫১৭ কিলোমিটার গতিতে উড়তে পারে; যা শাহেদ-১৩৬ এর ১৮৫ কি.মি. গতির তুলনায় প্রায় তিন গুণ। ফলে এটিকে প্রতিহত করার জন্য শত্রুপক্ষের হাতে সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

খরচ নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় ইরান

কামিকাজে ড্রোনের খরচ তার পাল্লা, বহনক্ষমতা, স্থায়িত্ব এবং গাইডেন্স সিস্টেমের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। শাহেদ-১৩৬ এর প্রতিটি ইউনিটের দাম প্রায় ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে। এই কারণে ইরান বিপুল পরিমাণে এসব ড্রোন তৈরি ও মোতায়েন করতে পারে, একসঙ্গে শত শত ড্রোন আকাশে পাঠাতে পারে।

ইরান যখন ১০০, ২০০ বা এমনকি ১,০০০ ড্রোন একসঙ্গে নিক্ষেপ করে, তখন শত্রু বাহিনীর সামনে একটি অসম্ভব গাণিতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। কারণ প্রতিটি ড্রোন ভূপাতিত করতে প্রচুর ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়; যা দ্রুত তাদের মজুদ শেষ করে দিতে পারে। ২০২৫ সালের জুনে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরান একক সংঘাতে ১,০০০ এর বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল, যার ফলে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল পরিমাণ ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়।

অনেক মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, চীন ইরানকে অতিরিক্ত লয়টারিং মিউনিশন সরবরাহ করেছে। যার ফলে ইরান তাদের অস্ত্রাগার প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা পুনর্গঠনের চেয়ে অনেক দ্রুত ও কম খরচে পুনরায় পূরণ করতে পারছে।

ছোট কৌশলগত মডেলের ড্রোনগুলোর দাম সাধারণত দশ হাজার ডলারের মধ্যে থাকে। মাঝারি পাল্লার উন্নত সেন্সর ও এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকা সিস্টেমগুলোর দাম আরও বেশি। আর সীমান্ত পেরিয়ে দীর্ঘপাল্লার হামলা চালাতে সক্ষম ড্রোনগুলোর দাম প্রায় এক লাখ ডলার বা তার বেশি হতে পারে।

তবে এমনকি সবচেয়ে উন্নত লয়টারিং মিউনিশনও যুদ্ধবিমান বা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার চেয়ে অনেক সস্তা। এই ব্যয়-কার্যকারিতার কারণেই সামরিক বাহিনীগুলো এই ধরনের অস্ত্র ব্যাপকহারে ব্যবহার শুরু করেছে।

প্রতিরোধ ব্যবস্থা

লয়টারিং মিউনিশনের বিস্তার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশগুলো অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ইলেকট্রনিক জ্যামিং সিস্টেমে বিনিয়োগ করছে। এটি জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে। কিছু ইন্টারসেপ্টর ড্রোনও এসেছে যেগুলো শত্রুর ড্রোনকে তাড়া করে নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

তবুও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক সময় আক্রমণকারী ড্রোনগুলোর চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। এই অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা সামরিক বাহিনীকে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com