September 30, 2026, 2:09 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
শিশু নাতনির ছবি হাতে এক মাস ধরে পথে পথে ৭১ বছরের ইসমাইল, চাইছেন খোঁজ মাঝ আকাশে তেল–আবিবগামী ফ্লাইটে পাইলটদের মারামারি, হাইজ্যাক ভেবে যুদ্ধবিমান পাঠায় ইসরায়েল ডিমান্ড চার্জের ঘরে মিটার নম্বর, ২৩৫ ইউনিটের বিল এল ৫০৬ কোটি টাকা মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ডিএনসিসির তিন গাড়িতে আগুন তেঁতুলিয়ায় জালে উঠে এল ১২ ফুট লম্বা অজগর মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ সাবেক সাংবাদিক রাজা হলেন উগান্ডায় উগান্ডায় রাজা হলেন সাবেক সাংবাদিক ট্রাংক কেটে প্রশ্নপত্র চুরি, অন্তর্বাসে করে পাচার ‘মিছিলে তো আমার জন্যই আইছত’ কিশোর গ্যাং লিডারের সঙ্গে ছাত্রদল নেতার ভিডিও ভাইরাল

ডিমান্ড চার্জের ঘরে মিটার নম্বর, ২৩৫ ইউনিটের বিল এল ৫০৬ কোটি টাকা

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, September 30, 2026
  • 20 Time View

বিদ্যুৎ ব্যবহারের সাধারণ কোনো বিলের সঙ্গে এমন আকাশচুম্বী অঙ্কের কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায় না, যা সম্প্রতি গ্রাহকদের হতবাক করে দিয়েছে। দেশের একটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাগুরা জেলায় এক সাধারণ আবাসিক বিদ্যুৎ গ্রাহকের হাতে এমন একটি বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে যার অঙ্ক দেখলে যেকোনো মানুষের চোখ কপালে ওঠার দশা হবে। অথচ ওই গ্রাহক কেবল তার প্রাত্যহিক প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য কিছু বিদ্যুৎশক্তি খরচ করেছিলেন।

প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট গ্রাহক নির্দিষ্ট একটি সময়ের ব্যবধানে মোট ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছিলেন। সাধারণত এই পরিমাণ ব্যবহারের জন্য যে অর্থ পরিশোধ করতে হয়, তা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই থাকে। কিন্তু স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে প্রস্তুত করা ওই মাসিক বিদ্যুৎ বিলে খরচের প্রকৃত পরিমাণের পরিবর্তে যোগ করা হয় অস্বাভাবিক সংখ্যা।

সবচেয়ে মজার এবং ত্রুটিপূর্ণ দিকটি হলো, বিলের নির্ধারিত ‘ডিমান্ড চার্জ’ বা চাহিদাপত্র ঘরের ঠিক পাশেই গ্রাহকের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ মিটারের নম্বরটি বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সম্ভবত কম্পিউটারের ডেটা এন্ট্রি করার সময় কোনো কর্মচারীর মারাত্মক ভুলে মিটারের নম্বরটিই টাকার অঙ্কের ঘরে চলে আসে। এর ফলে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের দাম দাঁড়িয়ে যায় অবিশ্বাস্য এক অঙ্কে।

হিসাব অনুযায়ী, ওই গ্রাহকের নামে মোট ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল তৈরি করা হয়, যা দেশের কোনো বাজেট বা বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের থেকেও বেশি। এই ধরনের হাস্যকর ও অবাস্তব বিল হাতে পাওয়ার পর গ্রাহক এবং স্থানীয় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। পরে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসের খামখেয়ালি পনা এবং দায়িত্বহীনতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক ঘটে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com