September 21, 2026, 3:29 am
সর্বশেষ সংবাদ:
খুলনা নগরীর ৩৩ ওয়ার্ডকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুলবহির্ভূত শিশুমুক্ত ঘোষণা রাবির পাঁচ অসচ্ছল নবীন শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেবেন ছাত্রদলকর্মী শাকিল তিন দফা দাবিতে সিকৃবি-গবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি তিন মাসে ফান্ডে জমা পড়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা, ব্যয় নিয়ে ধোঁয়াশা শেখ সোলায়মানের ‘মানব জীবন’ মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিদল ফুলহামের মাঠে হার এড়াল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড লিভ-ইনের পর বিয়ে নিয়ে হয়রানি, অভিনেতা গ্রেপ্তার কক্সবাজার কলেজ হোস্টেলে ইয়াবার পার্সেল, ২০ হাজার পিসসহ নারী শিক্ষার্থী আটক চা শিল্পে নতুন আয়ের উৎস, অনাবাদি জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্যোগ

তিন মাসে ফান্ডে জমা পড়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা, ব্যয় নিয়ে ধোঁয়াশা

Reporter Name
  • Update Time : Monday, September 21, 2026
  • 13 Time View

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সগুলোর অর্থ ব্যবস্থাপনায় আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চলতি বছরের জুন মাসে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। মাজারের পবিত্রতা রক্ষা এবং ভক্তদের দান করা অর্থের সঠিক সদ্ব্যবহারের লক্ষ্যেই মূলত এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। ওই সময় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছিল যে, আগামী এক মাসের ভেতরেই দানের অর্থ সংগ্রহ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট একটি কাঠামো বা নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

তবে নির্ধারিত সেই সময়সীমা পেরিয়ে ইতোমধ্যে প্রায় তিন মাসের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে, কিন্তু এখনো মাজারের দানের টাকা কোন কোন নির্দিষ্ট খাতে ব্যয় করা হবে সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই তিন মাসের ব্যবধানে মাজারের বিভিন্ন দানবাক্স থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা জমা হয়েছে। বিশাল অঙ্কের এই অর্থ তহবিলে জমা হলেও এত দিনেও এর ব্যয় সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মাজারের সাধারণ ভক্ত ও স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকেই মনে করছেন, বিপুল পরিমাণ এই অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় অনিয়মের আশঙ্কা থেকেই যায়। অতীতে কীভাবে এই দানবাক্সের টাকা খরচ করা হতো এবং বর্তমানে নতুন কমিটির অধীনে তহবিলটি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়ে জনমনে এক ধরণের ধোঁয়াশা ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ কমিটি গঠন করার পরও যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থ ব্যয়ের খাতগুলো জনসমক্ষে স্পষ্ট করা না হয়, তবে পুরো উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

তহবিলে জমা হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অর্থের স্বচ্ছ ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। মাজার কতৃপক্ষের উচিত অবিলম্বে বিলম্বের কারণগুলো দূর করে দানের টাকার সঠিক হিসাব এবং ব্যয়ের খাতগুলো সাধারণ মানুষের সামনে উন্মুক্ত করা। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন মাজার পরিচালনার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের স্বচ্ছতার সংকট কাটবে, অন্যদিকে ভক্তদের মনেও আস্থার পরিবেশ ফিরে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com