November 4, 2026, 5:16 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৯ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা তৃতীয় ভাষা চালুর আগে প্রস্তুতি কতটুকু ডিবিসি কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে নেত্রকোনায় হাওরাঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান এইচএসসির অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর শ্রেণিকক্ষের পাঠদান থেকে খাবার সংরক্ষণ—সবই দেখলেন ববি হাজ্জাজ পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইসলামবিদ্বেষের পরাজয় ঘটেছে পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনে নিরাপত্তা দিতে ইরান ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদূত

তৃতীয় ভাষা চালুর আগে প্রস্তুতি কতটুকু

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, November 4, 2026
  • 13 Time View

শিক্ষা ডেস্ক: বর্তমান শিক্ষাক্রমে মাতৃভাষা বাংলা এবং আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজির পাশাপাশি একটি অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিশ্বায়নের এই যুগে শিক্ষার্থীদের বহভাষিক দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যেই মূলত এই অভিনব ও সময়োপযোগী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, যুগের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে এই ধরনের যুগান্তকারী পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ কতটা সুগম হবে এবং এর জন্য দেশের শিক্ষাঙ্গন কতখানি প্রস্তুত, তা নিয়ে নানা মহলে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

একটি নতুন ভাষা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার আগে এর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে দক্ষ শিক্ষক সংকট দূর করা এই উদ্যোগের সফলতার সবচেয়ে বড় শর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফরাসি, স্প্যানিশ, জাপানি কিংবা চীনা ভাষার মতো জনপ্রিয় বিদেশি ভাষাগুলো সঠিকভাবে পড়ানোর মতো পর্যাপ্ত শিক্ষক বর্তমানে নেই বললেই চলে। তাই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যেও নতুন এই ভাষা চালুর বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। অনেকে একে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপের বিষয়টি নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন। কারণ প্রাথমিক বা মাধ্যমিক স্তরে ইতিমধ্যে দুটি ভাষা রপ্ত করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে তৃতীয় আরেকটি ভাষা যুক্ত হলে তাদের ওপর বাড়তি মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই বাস্তবতায় সিলেবাস এমনভাবে প্রণয়ন করা প্রয়োজন যাতে তা শিক্ষার্থীদের জন্য বোঝা না হয়ে বরং একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হিসেবে ধরা দেয়।

সার্বিক দিক বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাড়াহুড়ো না করে একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখার মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু করার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষাবিদেরা। পরীক্ষামূলকভাবে কিছু নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে এই কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা যেতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছেন তারা। পরবর্তীতে বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে ত্রুটিগুলো সংশোধন করে ধীরে ধীরে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা হলে তবেই কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com