September 20, 2026, 6:27 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ইরানি ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল করল তুরস্ক আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট স্কোয়াড ঘোষণা, নেই নাহিদ-তাসকিন নদীগর্ভে স্কুল বিলীন, বাড়ি বাড়ি পাঠদান উৎপাদন বৃদ্ধিসহ দেশি প্রজাতির মাছ টিকিয়ে রাখাই সরকারের লক্ষ্য: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী পে স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়ি ভাড়া ৬ কর্মসূচিতে জাকসুর এক বছরের দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি এলজিইডির কর্মকর্তাদের জনগণের সম্পদের সঠিক ব্যবহারের আহ্বান মঈন খানের বাকৃবিতে ১৭৯ শিক্ষার্থীর ইন্টার্নশিপ শুরু, বিদেশে যাচ্ছেন ৩৫ জন ‘শেখ হাসিনার পতন হয়েছে চাটুকার সাংবাদিক, হাইব্রীড আ. লীগ ও ব্যবসায়ীদের কারণে’ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে: মামুনুল হক

নদীগর্ভে স্কুল বিলীন, বাড়ি বাড়ি পাঠদান

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, September 20, 2026
  • 2 Time View

নদীভাঙনের কবলে পড়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে চলছে কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনা। বিদ্যালয়টির নিজস্ব কোনো অবকাঠামো না থাকায় স্থানীয় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক ও এলাকাবাসী মিলে বিকল্প উপায়ে ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বর্তমান দৈন্যদশা দূর করতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সচল রাখতে রুটিন অনুযায়ী প্রতিদিন একেক শিক্ষার্থীর বাড়িতে বসল পাঠদান কার্যক্রম। নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণীকক্ষ না থাকায় কখনো কোনো ছাত্রের উঠানে, আবার কখনো কোনো ছাত্রীর বারান্দায় মাদুর পেতে চলছে পাঠদান। এভাবেই পালাক্রমে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে শিক্ষক এসে উপস্থিত হন এবং রুটিন মাফিক ক্লাস পরিচালনা করেন।

খোলা আকাশের নিচে কিংবা অন্যের বাড়িতে এই ধরনের অস্থায়ী আয়োজনের কারণে পড়াশোনার অনুপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বাড়ির নানা কোলাহল, পর্যাপ্ত আসবাবপত্রের অভাব এবং প্রতিকূল আবহাওয়া শিক্ষার্থীদের মনোসংযোগে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করছে। এর ফলে একদিকে যেমন পাঠদানের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় জনসাধারণ এবং শিক্ষক সমাজ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অতি দ্রুত একটি স্থায়ী স্কুল ভবন নির্মাণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা না হলে এই এলাকার শিশুদের শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করছেন। অবিলম্বে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্থায়ী শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com