July 1, 2026, 2:21 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করার সুযোগ নেই: আখতার হোসেন

নারী শিক্ষার্থীদের মতো ছেলে শিক্ষার্থীদেরও অবৈতনিক শিক্ষা চান জামায়াতের এমপি

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, June 25, 2026
  • 43 Time View
73

নারী শিক্ষার্থীদের মতো ছেলে শিক্ষার্থীদেরও শিক্ষা অবৈতনিক করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুন্নিসা সিদ্দীকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিন বুধবার (২৪ জুন) ২০২৬-৩৭ অর্থ-বছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

নুরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, ‘আমি প্রথমে শিক্ষার বিষয়ে বলতে চাই। শিক্ষা খাতে মোট জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ হয়েছে– এটা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে এটা বেশি। কিন্তু আমরা একটা জিনিস অবাক হয়ে লক্ষ করছি, গত তিন দশক ধরেই নারী শিক্ষার ওপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং নারীরা শিক্ষায় বেশ এগিয়েছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন, শুধু কি নারীরাই এ দেশের নাগরিক, ছেলেরা নয়? ছেলে-মেয়ে উভয়ের যদি অধিকার সমান হয়, তাহলে কেন ছেলেদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে?’

তিনি বলেন, ‘এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর দিকে যদি আমরা তাকাই তাহলে দেখবো, সব দেশে শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবৈতনিক করা হয়েছে। নেপাল এবং শ্রীলঙ্কাতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা। আর পাকিস্তান, আফগানিস্তানে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত, ভারত এবং ইরান অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত, আর বাংলাদেশে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। তাহলে ৫৪ বছর ধরে আমরা স্বাধীন আছি কিন্তু সেই স্বাধীনতার সুফল আমাদের সব সন্তানেরা পাচ্ছে না।

‘দ্বিতীয়ত, আমাদের এবারের বাজেটে বলা হয়েছে, পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা মধ্যাহ্ন খাবার পাবে। আবার তারা পোশাক পাবে। তো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কতজন শিশু পড়ে আর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কতজন শিশু পড়ে? ডাবলেরও বেশি শিশু বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। তাহলে তারা কেন পাবে না? এই বৈষম্য কেন?

‘তৃতীয়ত, আমাদের শিক্ষক সমাজ যেই ট্রেনিং পাচ্ছেন, সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যে ট্রেনিং পান, বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কিন্তু ট্রেনিং সেভাবে পান না। এবং তাদের জীবনযাত্রার মানও অনেক নিচু। অনেক কম বেতনে তাদের কাজ করতে হয় এবং দেখা যায় যে মাসের পর মাস তারা বেতন পান না। তো এই ক্ষেত্রে নাগরিক বৈষম্য হয় না কি?

‘এই জন্য আমি সরকারের কাছে আহ্বান জানাবো, আমাদের দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর বেতন মওকুফ করা হোক। সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হোক।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com