পটুয়াখালীতে ❝দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি (১ম সংশোধিত)❞ প্রকল্পের আওতায় ৭ম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয় উপকরণ ও প্রশিক্ষণ মডিউল বিতরণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের পটুয়াখালী শাখায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৭ম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে প্রশিক্ষণ উপকরণ ও মডিউল তুলে দেওয়া হয়। এ সময় প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ব্যাগ, খাতা, কলম, আইডি কার্ড এবং প্রশিক্ষণ মডিউল বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব মো. আবুল কালাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড, পটুয়াখালী শাখার কো-অর্ডিনেটর তারিকুল ইসলাম তারেক, প্রশিক্ষক তাফসির আহমেদ, সৈয়দ ফেরদৌস মাহমুদ রাকিব, মো. রাব্বি হোসেন এবং ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৭ম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং একটি সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্র। যথাযথ প্রশিক্ষণ, নিয়মিত অনুশীলন ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীরা নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারেন।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে পটুয়াখালী জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবুল কালাম বলেন, “পরিশ্রম কখনো বিফলে যায় না।” তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের কোর্স চলাকালীন সময়ে মনোযোগ সহকারে প্রশিক্ষণ গ্রহণ, নিয়মিত অনুশীলন এবং নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নে সর্বোচ্চ পরিশ্রম করার পরামর্শ দেন।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণের সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে গান, ভিডিও বা বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখার পরিবর্তে প্রশিক্ষণের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। নির্ধারিত সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে ভবিষ্যতে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।
প্রশিক্ষণ উপকরণ ও মডিউল বিতরণের ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি গুণগতমানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের তরুণদের ফ্রিল্যান্সিংসহ তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন দক্ষতায় দক্ষ করে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখাই এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য।