August 18, 2026, 12:03 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
রাশিয়ার নির্বাচনে নিষিদ্ধই থাকছে বিরোধী দল, উপপ্রধানের কারাদণ্ড রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের অগ্রযাত্রায় মেধাবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন বাসযোগ্য নগর গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক মার্কিন মিত্র ওমানকে বো/মা মেরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প ৯০ শতাংশ ভাড়াটিয়ার তথ্য নেই, জ/ঙ্গি আস্তানাসহ বাড়ছে খু/ন সাগরে নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত চিফ প্রসিকিউটরের কাছে নিরাপত্তা চাইলেন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী শিশুর হাম, চিকিৎসা করাতে ঘরবাড়ি বিক্রি করে নিঃস্ব

প্রকাশ্যে বই খুলে পরীক্ষা দিলেন অনার্স শিক্ষার্থীরা

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, December 23, 2025
  • 193 Time View
219

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে একটি মাদরাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় শিক্ষকের উপস্থিতিতেই প্রকাশ্যে বই-খাতা খুলে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা—এমন একটি ভিডিও সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নানা মহলে সমালোচনার ঝড় বইছে।

২ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পরীক্ষার হলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছেই বই। তারা প্রকাশ্যে টেবিলের ওপর বই খুলে প্রশ্নের উত্তর লিখছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওটি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার। প্রতিষ্ঠানটিতে ফাজিল স্নাতক (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রবিবার (২১ ডিসেম্বর) প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন, যারা সবাই ওই মাদরাসারই শিক্ষার্থী।

নিজ মাদরাসায় পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকরাই বই খুলে পরীক্ষার খাতায় লেখার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোদ মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তিনি কেন্দ্র ফি বাবদ ৫০০ টাকা এবং পরীক্ষায় অসদুপায়ের সুযোগ করে দেওয়া কথা বলে আরো ৬০০ টাকাসহ মোট ১১০০ টাকা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় করেন।

এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসকে ফোনে কল দেওয়া হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফোন বন্ধ করে দেন। এরপর একাধিকবার চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘পরীক্ষায় অসদুপায়ের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেব।’

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, ‘আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানলাম। আজই তদন্ত কমিটি করে প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com