July 1, 2026, 5:12 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করার সুযোগ নেই: আখতার হোসেন

প্রথমবারের মতো ১২ পারমাণবিক অস্ত্র ‘মোতায়েন’ করলো ভারত

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, June 9, 2026
  • 50 Time View
60

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘মোতায়েন’ করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) সবশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা এসআইপিআরআই তাদের সবশেষ প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির কয়েক দশকের নীতি থেকে এক ব্যাপক বিচ্যুতির কথা প্রকাশ করেছে, যেখানে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হতো।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবারই প্রথম ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে কেবল মজুত নয়, বরং ‘কার্যক্ষমভাবে মোতায়েনকৃত’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

এসআইপিআরআই বলছে, প্রস্তুত অবস্থায় থাকা পারমাণবিক অস্ত্রকে ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন করা ভারতের সামরিক প্রস্তুতির মাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন করে মোতায়েন করা ১২টি ওয়ারহেড এমন প্রথম উদাহরণ, যেখানে ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেডকে সরাসরি ডেলিভারি সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে সক্রিয় সামরিক ঘাঁটিতে রেখেছে।

এসআইপিআরআই-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১৯০-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে গঠিত ভারতের ক্রমবর্ধমান ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো যে ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাকে আলাদা করে রাখে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রকে ক্যানিস্টারে সংরক্ষণ এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার দেশটির সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ইঙ্গিত করছে যে ভারত কিছু ওয়ারহেড শান্তিকালেই উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত রাখার দিকে এগোতে পারে।

তবে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তার ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি বজায় রেখেছে। এই নীতির আওতায় দেশটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা কোনো সংঘাতে প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না। শুধুমাত্র ভারতের ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থানরত ভারতীয় বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে তার জবাব হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে।

ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার উদ্দেশ্য অস্ত্র প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া নয়; বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার জন্য একটি সীমিত কিন্তু কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখা।

সূত্র: এনডিটিভি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com