September 29, 2026, 12:34 pm

বাংলাদেশসহ ২০ দেশ–অঞ্চলের বিশেষায়িত ওষুধ শুল্কমুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, September 29, 2026
  • 5 Time View

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যনীতিতে এক বড় পরিবর্তন এনেছে মার্কিন প্রশাসন। বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিশ্বের মোট ২০টি অংশীদার দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত ওষুধ এবং এর কাঁচামালকে আমদানি শুল্ক থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর দেশটির ফেডারেল রেজিস্টারে একটি সরকারি তালিকা প্রকাশ করে এই নতুন শুল্ক কাঠামোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানোর বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র যখন নির্দিষ্ট কিছু ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই এই বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা এলো।

নতুন এই নির্দেশনার আওতায় বেশ কিছু জীবনরক্ষাকারী ও উন্নত চিকিৎসা পণ্য শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, বন্ধ্যত্ব নিরাময়ের বিভিন্ন ওষুধ, উন্নত সেল ও জিন থেরাপি, অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটস বা এডিসি এবং পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিশেষ ওষুধ। এসব আধুনিক চিকিৎসা সামগ্রী তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক উপাদান বা সক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদানগুলোও এই শুল্কমুক্ত সুবিধার সুফল পাবে। ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে কোনো ধরনের শুল্ক ছাড়াই এসব পণ্য মার্কিন বাজারে পাঠাতে পারবে।

বাংলাদেশ এবং ভারত ছাড়াও এই বাণিজ্য সুবিধার তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, কম্বোডিিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান এবং মালয়েশিয়া। এ ছাড়া নর্থ মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনামও এই তালিকায় স্থান পেয়েছে। মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যেসব দেশের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কার্যকর অথবা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোগত চুক্তি রয়েছে, কেবল সেই দেশগুলোই এই সুবিধা উপভোগ করবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গত এপ্রিল মাসের একটি নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করে মূলত এই বাণিজ্য নীতি বাস্তবায়িত হয়েছে। ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ধারা-২৩২-এর অধীনে ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য আমদানির শুল্ক কাঠামো পরিবর্তনের ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে নির্দিষ্ট পেটেন্টযুক্ত ওষুধ এবং জৈব পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল ওয়াশিংটন। তবে জেনেরিক ওষুধ এবং সেগুলোর কাঁচামালকে এই কঠোর শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক প্রশাসনিক সংশোধনের মাধ্যমে জেনেরিক ওষুধের সংজ্ঞা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com