July 1, 2026, 3:48 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করার সুযোগ নেই: আখতার হোসেন

ভুক্তভোগী নারীদের লন্ডনের ফ্ল্যাটে রাখতেন এপস্টেইন

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, April 25, 2026
  • 62 Time View
78

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন লন্ডনের বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাটে নির্যাতনের শিকার নারীদের রাখতেন। ভুক্তভোগী এসব নারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসির অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এপস্টেইন ফাইলে থাকা রসিদ, ইমেইল ও ব্যাংক রেকর্ড ঘেঁটে জানা গেছে, এ নারীদের কেনসিংটন ও চেলসির মতো অভিজাত এলাকায় ভাড়া নেওয়া চারটি ফ্ল্যাটে রাখা হতো।

এসব ফ্ল্যাটে থাকা ছয় নারী পরবর্তী সময় এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হিসেবে সামনে এসেছেন। তাদের মধ্যে অনেককেই রাশিয়া, পূর্ব ইউরোপ ও অন্যান্য জায়গা থেকে যুক্তরাজ্যে আনা হয়েছিল।

শুক্রবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক পাচারের শিকার হয়ে তিনি লন্ডনে এসেছিলেন। সেই সময় লন্ডন পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফাইলগুলোতে থাকা ইমেইল অনুসারে, লন্ডনের ফ্ল্যাটগুলোতে থাকা কিছু নারীকে এপস্টেইন তার যৌন পাচার চক্রে অন্যদের নিয়োগ করতে বাধ্য করত এবং তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ইউরোস্টারে করে নিয়মিত প্যারিসে নিয়ে যেত। যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের কার্যকলাপের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন বিচার বিভাগের তদন্তে সংগৃহীত লাখ লাখ পৃষ্ঠার নথি ঘেঁটে দেখেছে বিবিসি। এগুলোই ‘এপস্টেইন ফাইলস’ হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

এতে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের পুলিশকে সতর্ক করা সত্ত্বেও এপস্টেইনের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ কার্যকলাপ কীভাবে আগের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছিল– ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাদের পাচারের ক্ষেত্রে আবাসনের মতো সুপ্রতিষ্ঠিত পরিকাঠামো ব্যবহার ও কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে নারীদের ঘন ঘন আনা-নেওয়া করা হতো।

তদন্তে বিবিসি দেখেছে, ২০০১ সালে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য হওয়ার বিষয়ে জিউফ্রের অভিযোগ ছাড়াও নানা বিষয়ে তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশের কাছে ছিল। ২০২০ সালের শুরুর দিকে দ্বিতীয় এক নারী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ অভিযোগের ওপর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

মানবাধিকার আইনজীবী টেসা গ্রেগরি বিবিসিকে বলেন, আমাদের অনুসন্ধানের নমুনাগুলো দেখানোর পর তিনি এটা দেখে ‘হতবাক’ হয়েছেন যে, যুক্তরাজ্যের কোনো পুলিশি তদন্তই কখনও শুরু করা হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com