September 30, 2026, 10:30 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক ইন্ডিয়া জোটের ৪৩ কোটি টাকা লোপাট: পি কে হালদারসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০ জন আটক ইসরায়েলগামী বিমানে পাইলটদের মারামারি-ছুরিকাঘাত ও সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ, কী জানা যাচ্ছে? ময়মনসিংহে কাফনের কাপড় বিছিয়ে ২২ প্রার্থীর অনশন যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন হার্টে সমস্যা মিরপুরে উচ্ছেদ ঘিরে হামলা-অগ্নিসংযোগ, পরে আবারও অভিযান হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার চার্জ গঠন শুনানি পিছিয়ে ১৫ অক্টোবর ডিবি পরিচয়ে ফোন, পরে নিখোঁজ হন ফটোসাংবাদিক বাদল দাস নিট কাপড় আমদানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার

যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন হার্টে সমস্যা

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, September 30, 2026
  • 17 Time View

দৈনন্দিন সাধারণ কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক ক্লান্তি কিংবা সামান্য হাঁটাহাটিতে বুক ভারী হয়ে আসার মতো উপসর্গগুলোকে কেবল বয়সের ছাপ ভেবে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। মানবদেহের অন্যতম সংবেদনশীল এই হৃদ্‌যন্ত্র যখন নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হতে শুরু করে, তখন শরীর বিভিন্ন সূক্ষ্ম ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। রক্তনালিতে চর্বি জমে সরু হয়ে যাওয়ার কারণে অনেক সময় পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়, যা পরবর্তীতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এসব লক্ষণ দেখা দিলে তা অবহেলা না করে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

বয়সের তুলনায় শারীরিক সক্ষমতা হঠাৎ কমে যাওয়া, সিঁড়ি ভাঙার সময় দম আটকে আসা কিংবা অল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত হাঁপিয়ে পড়ার মতো বিষয়গুলো হৃদ্‌রোগের পূর্বসংকেত হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, হাঁটার সময় বুকে চাপ অনুভব করা, অকারণে মাথা ঘোরানো, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কিংবা পা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলোও হার্টের জটিলতার ইঙ্গিত দেয়। তবে এই ধরনের উপসর্গ মানেই যে নিশ্চিত হৃদ্‌রোগ, তা নয়; ফুসফুসের জটিলতা, রক্তস্বল্পতা কিংবা থাইরয়েডের সমস্যার কারণেও এমন হতে পারে। তাই সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

যাঁদের পরিবারে হৃদ্‌রোগের বংশগত ইতিহাস রয়েছে কিংবা যাঁরা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন ও ধূমপানের মতো ঝুঁকিতে আছেন, তাঁদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। অনেক সময় ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে হার্টের ব্যথার লক্ষণগুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় না, যার ফলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাই সামান্য অস্বস্তি অনুভূত হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

হৃদ্‌রোগ শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক ইতিহাস ও লক্ষণ পর্যালোচনার পাশাপাশি ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম বা ট্রেডমিলের মতো পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানোর কোনো প্রয়োজন নেই। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সচেতন জীবনযাপন, সুষম খাবার গ্রহণ এবং ধূমপান পরিহার করার মাধ্যমে হৃদ্‌রোগের মতো মারাত্মক ঝুঁকি অনেকাংশেই এড়ানো সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com