August 18, 2026, 5:38 am
সর্বশেষ সংবাদ:
চট্টগ্রামে ২৬ আগস্ট জশনে জুলুস, নেতৃত্ব দেবেন আল্লামা সাবির শাহ হাটহাজারীতে যুবককে গুলি করে পালালো দুর্বৃত্তরা বিএনপি সরকারের ৬ মাসের মূল্যায়ন নিয়ে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন আজ পদোন্নতির জন্য চিকিৎসকদের এইচআরআইএস প্রোফাইল হালনাগাদের নির্দেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে ক্যারিয়ার সেন্টার চালুর নির্দেশ ডেমরায় বোমাসহ গ্রেফতার দুজন রিমান্ডে বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ পেছালো, পরবর্তী তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর বগুড়ায় জামায়াত সমর্থিত ৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র কার পার্কিং নিয়ে তর্ক, জনসম্মুখে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়লেন যুবক

শকুনের বাসায় ৬৭৫ বছরের বিস্ময়

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, October 11, 2025
  • 197 Time View
219

সম্প্রতি ‘ইকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় তারা এক চমকপ্রদ তথ্য আবিষ্কারের কথা জানান।
আপনার আলমারিতে সবচেয়ে পুরোনো পোশাকটা কী? হয়তো আপনার দাদার দেয়া একটা টুপি, কিংবা স্কুলজীবনের পুরোনো জ্যাকেট। কিন্তু ভাবতে পারেন! কারও কাছে আছে ৬৭৫ বছর আগের এক জুতো তাও আবার সম্পূর্ণ অক্ষত।

অবাক করার মতো হলেও এটাই সত্যি। সম্প্রতি স্পেনে একটি শকুনের বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছে অবিশ্বাস্য এক জিনিস। ৬৭৫ বছর পুরোনো একটি জুতো, যা এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, একজোড়া ঘাসের দড়ি দিয়ে তৈরি স্যান্ডেল, যা আশ্চর্যভাবে অক্ষত অবস্থায় টিকে আছে। দেখে মনে হয় যেন কোনো টাইম ক্যাপসুলে সযত্নে রাখা ছিল।

স্প্যানিশ ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিলের পরিবেশবিদ অ্যান্টনি মার্গালিদা জানান, দক্ষিণ স্পেনের পাহাড়ে অবস্থিত বেয়ারডেড প্রজাতির শকুনের একটি বাসা থেকে তারা যা আবিষ্কার করেছেন তা টাইমক্যাপস্যুল থেকে কোনও অংশে কম না।

গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মার্গালিদা ও তার সহকর্মীরা এই বিপন্ন প্রজাতির শকুনের বাসাগুলো নিয়ে গবেষণা করছেন। সম্প্রতি ‘ইকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় তারা এক চমকপ্রদ তথ্য আবিষ্কারের কথা জানান।

এই শকুনগুলো নাকি মানুষের তৈরি জিনিস সংগ্রহ ও সংরক্ষণের দারুণ অভ্যাস রাখে। মনে হচ্ছে, যেন তারা প্রকৃতির মধ্যেই এক ‘আর্কাইভ’ বা সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছে।

মার্গালিদা বলেন, ‘আমরা একটি পুরনো স্যান্ডেলের অবশিষ্টাংশ, একটি প্রাচীন বর্শার ডগা এবং রঙ করা চামড়ার একটি টুকরা উদ্ধার করেছি। এই জিনিসগুলো এত ভালো অবস্থায় থাকতে পারে এমনটা আমরা ধারণা করতে পারিনি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, শকুনরা তাদের বাসা পাহাড়ের গুহার মধ্যে তৈরি করে, এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই বাসাটি ব্যবহার করেছে। এই উঁচু গুহাগুলো ছোট শকুনের বাচ্চাদের নিরাপদ রাখতে একদম উপযুক্ত। এছাড়া গুহার স্থির তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা জুতো, কাপড়ের টুকরার মতো নানা জিনিস সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। এসব জিনিস সম্ভবত বাসা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল।

মার্গালিদার মতে, এটি একরকম প্রাকৃতিক জাদুঘরের মতো। আমরা যখন কিছু জিনিসপত্রের বয়স নির্ধারণ করি, তখন দেখা যায় সেগুলো ১৩শ শতাব্দীর। এটি সত্যিই অত্যন্ত চমকপ্রদ ছিল।’

কিন্তু তারা বাসায় যা পেয়েছিল তার বেশিরভাগই ছিল হাড়ের টুকরো।

ইউরোপের বেশিরভাগ অংশে এ প্রজাতির শকুনদের নির্মমভাবে শিকার করে বিলুপ্ত করা হয়েছিল। এমনকি স্প্যানিশ সরকার ১৯৫০ সাল পর্যন্ত এদের শিকার করার জন্য লোকেদের অর্থও দিয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com