March 7, 2026, 8:28 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
মাটির নিচ থেকে পানির ট্যাঙ্কি ভর্তি ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার ১৮৩ ক্রুসহ ইরানি যুদ্ধজাহাজকে আশ্রয় দিলো ভারত মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিকে ‘চূর্ণ-বিচূর্ণকারী’ আঘাতের হুঁমকি আইআরজিসির ইরানকে খুব কঠিনভাবে আঘাত করা হবে: ট্রাম্প তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে, ৯ মার্চ দুটি ভেসেল আসছে: জ্বালানি মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি লোভনীয় পেশায় পরিণত হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বৈধতা নিয়ে ‘গুরুতর সন্দেহ’, অংশ নেবে না জার্মানি হঠাৎ প্রতিবেশী দেশে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান ইরানকে আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিতে যাচ্ছে চীন যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি: জাতিসংঘ মহাসচিব

হঠাৎ প্রতিবেশী দেশে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, March 7, 2026
  • 14 Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সম্প্রতি কাতারে একটি বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার ঘটনার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের একটি রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তা নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওই বার্তায় প্রেসিডেন্ট আশ্বস্ত করেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা না চালানো হলে ইরানও তাদের লক্ষ্যবস্তু করবে না। তবে বাস্তব পরিস্থিতি এবং বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কৌশলগত ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়ে প্রেসিডেন্টের হাতে আদতে কোনো কার্যকর ক্ষমতা থাকে না।

ইরানি সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। যখন তিনি এই শান্তির বার্তা দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই কাতার তাদের আকাশসীমায় (হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে) আসা অন্তত ১০টি ড্রোন ও দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করে।

ইরানি রাজনীতি বিশ্লেষক রসুল সরদারের মতে, ইরানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা মূলত দৈনন্দিন রাষ্ট্রীয় কাজ এবং ‘অকৌশলগত’ বিষয়গুলো পরিচালনা করেন। সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদমর্যাদায় দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেও জাতীয় নিরাপত্তা এবং পররাষ্ট্রনীতির মতো ‘কৌশলগত’ বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই বললে চলে।

ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর। বর্তমানে দেশটির সংবিধানে উল্লেখিত ‘অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাউন্সিল’ রাষ্ট্র পরিচালনা করছে, যার সদস্য হিসেবে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান থাকলেও ক্ষমতার প্রকৃত চাবিকাঠি এখন সামরিক বাহিনীর হাতে।

বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এখন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের অপারেশন পরিচালনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এখন দেশ যখন একটি ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই’-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন আইআরজিসির কমান্ডই চূড়ান্ত। তারা প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা করবে কি করবে না, তা সম্পূর্ণভাবে তাদের সদর দপ্তর থেকে নির্ধারিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com