ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে হৃদয় মিয়া নামের এক হত্যা মামলার আসামি পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় ৮ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্য আসামির জামিন কাগজ জালিয়াতি করে হৃদয় পালিয়ে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানাজানি হয়। এ সংক্রান্ত একটি কাগজ ও মামলা থেকে ঘটনা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে।
ঘটনার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পালিয়ে যাওয়া আসামির হৃদয়কে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।
কারাগার থেকে পালানো হৃদয় জেলার কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার মুজিবুর মিয়ার ছেলে।
বরখাস্তরা হলেন ডেপুটি জেলার মো. আজহারুল ইসলাম, প্রধান কারারক্ষী শাহাদাত হোসেন, কারারক্ষী মোরশেদ আলম, মো. হানিফ মিয়া, মোহাম্মদ জাহিদ হাসান, মোহাম্মদ আবু খায়ের, রবিউল আলম ও শাহাব উদ্দিন।
এ ঘটনায় চট্টগ্রামের কারা উপ-মহা পরিদর্শক মো. ছগির মিয়াকে প্রধান করে এবং চাঁদপুরের জেলার ও ফেনীর জেল সুপারকে সদস্য করে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, একটি হত্যা মামলায় গত বছরের ৭ ডিসেম্বর জেলা কারাগারে আনা হয় হৃদয়কে। গত ২৯ জানুয়ারি দুপুরে জামিনে কারামুক্ত নবীনগর থানার একটি মামলার আসামি দিদার হোসেনের নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে জামিনপ্রাপ্ত অন্য বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার সময় কৌশলে পালিয়ে যান হৃদয়। এ ঘটনায় জামিননামায় আসা আসামিদেরও যোগসাজশ ছিল বলে জানা গেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম জানান, মামলায় জামিনপ্রাপ্তদেরও আসামি করা হয়েছে।
পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।