March 15, 2026, 4:31 am
সর্বশেষ সংবাদ:
সবাই আজ এক কাতারে, কেউ যেন বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীসহ দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি নিরাপত্তা ইরান যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাধীনতার ৫৫ বছর – ঝালকাঠিতে ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেডের বর্ণিল আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী। সরকারের ভেতরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি ঠেকাতে পারিনি : ফরিদা আখতার আড়ংয়ে ব্যাগ না দেওয়ায় হাতে কাপড় নিয়ে ফিরলেন রুমিন ফারহানা উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমা : দুই সপ্তাহে ১৭ জাহাজে হামলা, নিহত ১ ইরান ও লেবানন একসঙ্গে ইসরাইলে ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঢাবি ভিসি ভদ্র-যোগ্য, তাকে কাজে লাগানোর সুযোগ আছে: শিক্ষামন্ত্রী কৃষক দল নেতা হত্যা মামলার আসামি জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

রাজধানীসহ দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি নিরাপত্তা

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, March 15, 2026
  • 13 Time View
ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সড়ক, মহাসড়ক, রেল, নৌপথ ও সব টার্মিনালে যাত্রীদের নিরাপদ-নির্বিঘ্ন যাতায়াতসহ ফাঁকা রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। একইসঙ্গে চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি ঈদের আগে তিনদিন মহাসড়কে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শনিবার (১৩ মার্চ) এক খুদে বার্তায় রাজধানীতে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার পরিবহণে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মানি এস্কর্ট সার্ভিসে জন্য যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে। যোগাযোগের জন্য দেওয়া হয়েছে দুটো (০১৩২০০৩৭৮৪৫, ০১৩২০০৩৭৮৪৬) নম্বর।

 

জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশের সবচেয়ে বড় অন্যতম শক্তিশালী ইউনিট ডিএমপি। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশমুখ ও বাস টার্মিনালগুলো ঘিরে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা এবং নজরদারি ব্যবস্থা। পুলিশ জানিয়েছে, ঈদযাত্রায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। ঢাকার প্রবেশপথে যানবাহন পার্কিং কিংবা যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে টিকিট কাউন্টারগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে মোবাইলকোর্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ঈদে যাতে লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি রাস্তায় না নামতে পারে সেই লক্ষ্যে মোটর ওয়ার্কশপগুলোতেও অভিযান চালানো হচ্ছে। ঘরমুখো মানুষের পকেট কাটা রোধ ও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগ এড়াতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের ঘোষণা করেছে ডিএমপি। 

এদিকে ঈদ যাত্রা প্রস্তুতি নিয়ে হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়কে যানজট কমানো, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলোর গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ এবং সড়কের নিয়ম মেনে চলার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের সময় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। তাই সম্ভাব্য যানজটপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত টহল, চেকপোস্ট এবং মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সড়কের পাশে অবৈধ পার্কিং ও যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশ প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. দেলোয়ার হোসেন মিঞা কালের কণ্ঠকে বলেন, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা যাত্রীদের যেকোনো ধরনের সমস্যায় পাশে থাকতে প্রস্তুত রয়েছে। মানুষ ইতোমধ্যে ঈদপালন করতে বাড়ি যেতে শুরু করেছে। তবে, আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ সড়কে বাড়তি চাপ থাকবে। সে চাপ সামলোর জন্যও আমাদের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সড়কে চলাচলকারী চালক ও যাত্রীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত স্থানে যানবাহন থামানো এবং নিরাপদ গতিতে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে করে ঈদযাত্রা আরো নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করি।

অন্যদিকে পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, মহাসড়কে কোনো ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, দস্যুতা হতে দেওয়া হবে না। মহাসড়কে ডাকাতি রোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে গত বুধবার এক সভায় ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের নেওয়া পদক্ষেপের পাশাপাশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও নিরাপত্তা সচেতনতাবোধ তৈরি হতে হবে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ঈদ উদযাপনকে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রতিটি সরকারি সংস্থাকে আগের চেয়ে আরো বেশি মনোযোগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনাল ও রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্তসংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ, ডিবি, সোয়াট, ডগ স্কোয়াড ও অশ্বারোহী পুলিশ মোতায়েন থাকবে।’

তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সংস্থার ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন ঈদের নামাজকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম আরো জোরদারভাবে পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ জানায়, ঈদের সময় মহাসড়কে অপেশাদার বা মৌসুমি চালকদের তৎপরতা বাড়ে। এটি ঠেকাতে টার্মিনালগুলোতে চালকদের লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া যাত্রীরা যেন অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি বা টিকিট কালোবাজারিদের খপ্পরে না পড়েন, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশ ও বিআরটিএর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।

টানা সাত দিনের লম্বা ছুটিতে প্রায় ফাঁকা হতে চলেছে রাজধানী। তবে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ডিএমপি। ফাঁকা ঢাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি রোধে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি এবং চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বিপুলসংখ্যক মানুষ এরই মধ্যে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন। ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ রেখে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরায় ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছে নগরবাসীর মধ্যে। বিশেষ করে জনশূন্য আবাসিক এলাকাগুলোয় এ সময়ে অপরাধী চক্রের তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই উদ্বিগ্ন।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. এস এন নজরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি, মোবাইল টিম ও চেকপোস্টের ব্যবস্থাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই আমরা একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন ঈদ উদযাপন আশা করি নিশ্চিত করতে পারব।’

যেসব নির্দেশনা থাকছে ডিএমপির : নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে ডিএমপির কিছু নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান থাকছে। ডিএমপি সূত্র জানিয়েছে, বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও বিপণিবিতানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়তি পুলিশি টহল ও নজরদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে পুলিশের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন থাকতে হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে নগরবাসীকে যেসব নির্দেশনা মেনে চলতে হবে :

১. বাসাবাড়ি, অফিস ও বিপণিবিতানের নিরাপত্তা রক্ষীদের দায়িত্ব আরও কঠোর করতে হবে এবং ২৪ ঘণ্টা নজরদারি রাখতে হবে।

২. বাড়ি বা প্রতিষ্ঠান ছাড়ার আগে দরজা-জানালা শক্তভাবে তালাবদ্ধ করতে হবে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত তালা ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্তসংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও সেগুলো সচল রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. বাসার প্রধান দরজায় অটোলক ও নিরাপত্তা অ্যালার্মযুক্ত তালা ব্যবহার করা যেতে পারে।

৫. রাতে বাড়ি ও অফিসের আশপাশ পর্যাপ্ত আলো দিয়ে আলোকিত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

৬. অর্থ, মূল্যবান জিনিস ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত, প্রয়োজনে ব্যাংক লকার ব্যবহার করা যেতে পারে।

৭. বাড়ি ছাড়ার আগে পাশের ফ্ল্যাট বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের জানাতে হবে, যাতে তারা প্রয়োজনে নজর রাখতে পারেন।

৮. ভাড়াটিয়াদের ঈদের ছুটিতে বাসা ছাড়ার আগে বাড়ির মালিককে জানানো উচিত।

৯. অনুমতি ছাড়া কেউ যেন বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।

১০. বিদ্যু, পানি ও গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।

১১. বাড়ির গাড়ির গ্যারেজ সুরক্ষিত রাখতে হবে।

১২. জানালা বা দরজার পাশে এমন কোনো গাছ থাকলে তা ছেঁটে ফেলতে হবে, যাতে কেউ গাছে চড়ে বাড়িতে প্রবেশ করতে না পারে।

১৩. এলাকায় সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত নিকটস্থ পুলিশ ফাঁড়ি বা থানাকে জানাতে হবে।

১৪. কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানাতে হবে।

এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে সহায়তার জন্য ডিএমপি কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলোতে ০১৩২০-০৩৭৮৪৫, ০১৩২০-০৩৭৮৪৬, ২২৩৩৮১১৮৮, ০২৪৭১১৯৯৮৮, ০২৯৬১৯৯৯৯ এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে।

ছুটির চাপে ঊর্ধ্বতনরা : সাধারণ দুই ঈদের ছুটিতে যেতে চান আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু এসময় জনগণ, জানমাল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া অতীব জরুরি, ফলে যে-হারে ছুটির আবেদন জমা পড়ে সেভাবে দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলাপকালে তারা এমনটিই জানিয়েছেন। তারপরও অতীব প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে কিংবা রোস্টার অনুসারে ছুটির বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। কোন ইউনিট থেকে কতজন ছুটি পাচ্ছেন, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

নৌ-পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, তিনি এই ঈদে ছুটির আবেদন করেছেন, যদি না পান, তাহলে ঈদুল আযহার সময় ছুটি পাবেন বলে আশা রাখছেন।

হাইওয়ে পুলিশ প্রধান দেলোয়ার হোসেন মিঞা বলেন, ‘আমরা এ সময়ে সদস্যদের ছুটিতে যেতে নিরুৎসাহিত করি। কারণ, মানুষের সেবাদান আগে। তবে যেসব সদস্যের খুবই জরুরি ছুটি দরকার, সেগুলোর বিষয়ের উপর বিবেচনা করে ছুটির বিষয়টি দেখা হচ্ছে।’

ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক ও মার্কেটে র‍্যাবে বাড়তি নজরদারি : ঈদের সময় রাজধানীসহ সারাদেশে কিছু চিহ্নিত সড়ক, মার্কেট ও শপিংমল এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও রাহাজানির মতো ঘটনা ঘটে। সেগুলো চিহ্নিত করে দিন ও রাত মিলিয়ে র‍্যাবের বিশেষ দল ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মূল স্থানগুলোয় রয়েছে বাড়তি চেকপোস্ট।

র‍্যাবের কার্যক্রম সম্পর্কে বাহিনীর মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাজধানীতে সাধারণ সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ তল্লাশি ও টহল টিম বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমরা ঈদ সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েকভাগে ভাগ করেছি। এরমধ্যে রয়েছে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য বিশেষ কার্যক্রম চালাব। এরপর রাজধানীতে ঈদের আগে ও পরে যে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়, সেটার জন্য বিশেষ টহল ও স্থান চিহ্নিত করে সেসব টহল পরিচালনা করা এবং চাঁদাবাজি ও বাড়তি ভাড়া রুখতে কাজ করা।’

তিনি আরো বলেন, ঈদের দিনে আমরা সর্বোচ্চসংখ্যক সদস্য নিয়ে মাঠে থাকব। এ ছাড়া যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের ডগ স্কোয়াড টিম ও বোম্ব ডিসপোজল টিম সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com